প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মেয়র পদ্ধতির পক্ষে ভোট পড়েছে ৬৩,০২৯ এবং লিডারশীপ পদ্ধতির পক্ষে ভোট পড়েছে ১৭,৯৫১
জয়নুল আবেদীন: আবারো লুৎফুর ম্যাজিক দেখা গেলো টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ভোটের মাঠে। ৬ই মে রেফারেন্ডামের আগে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের প্রধান প্রধান দলগুলো লিডারশীপ ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পক্ষে নিজেদের অবস্থান ঘোষণা করেন এবং লিডিং টু্গেদার গঠন করে সাবেক কাউন্সিলর লিডার লেবার নেতা হেলাল আব্বাসের নেতৃত্বে নো মেয়রের পক্ষে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেন। অন্যদিকে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান কমিউনিটিতে তার আমলের কাজগুলো তুলে ধরে এই ব্যবস্থার সফলতা বর্ণনা করে ইয়েস ফর মেয়রের পক্ষে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেন।
শনিবার লন্ডনের এক্সেল সেন্টারে ভোট গণনা শেষে ৪৫ হাজার ৭৮ ভোটের ব্যবধান নিয়ে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের রেফারেন্ডামে শেষ হাসি হাসলেন সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান। তার সমর্থিত ইয়েস ফর মেয়র ক্যাম্পেইন পেয়েছে ৬৩ হাজার ২৯ ভোট। এদিকে ইয়েস মেয়রের বিপক্ষে ‘লিডিং টুগেদার’ যারা মূলত নো মেয়রের ক্যাম্পেইন করেছিলেন তারা পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৫১ ভোট।

ইয়েস মেয়রের পক্ষে জনগণের এই রায়ে অত্যন্ত খুশি টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান ‘দ্যা গ্রেইট বেঙ্গল টুডে’ কে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘একজন নির্বাচিত মেয়র স্ব স্ব এলাকার জন্য অনেক ভালো কাজ করতে পারেন। বড় বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তার যথার্থ ক্ষমতা থাকে। লন্ডন সিটি, লন্ডনের চারটি বারাসহ মানচেষ্টার, লিভারপুল এবং বড় বড় সিটি যেমন নিউ ইয়র্ক, প্যারিস কিংবা ঢাকা সব খানে রয়েছেন নির্বাচিত মেয়র। নির্বাচিত মেয়র মানে-জনগনের ক্ষমতা। বারার জনগণ নিজেদের ভালো এবং মন্দের সিদ্ধান্ত গ্রহণে একটুও ভুল করেননি। এই জয় জনগণের জয়। আমি বারার জনগণকে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করি এবং সেই সাথে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি।’
উল্লেখ্য, টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের পাশের বারা নিউহ্যাম কাউন্সিলের রেফারেন্ডামেও ইয়েস মেয়র জয়যুক্ত হয়েছে। নিউহ্যাম কাউন্সিলের রেফারেন্ডামে ইয়েস মেয়র পেয়েছে ৪৪ হাজার ভোট, নো মেয়র পেয়েছে ৩৮ হাজার ভোট। উক্ত রেফারেন্ডামের মাধ্যমে আগামী ১০ বৎসর জনগণের সরাসরি ভোটে টাওয়ার হ্যামলেট ও নিউহাম কাউন্সিলের মেয়রগণ নির্বাচিত হবেন এবং নির্বাচিত মেয়রগণ জনগণের ইচ্ছানুযায়ী পরিচালিত হবেন।

