শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

আসামের শিবসাগরে বাঙালিদের হুমকির প্রতিবাদে লাচিত সেনার ‘শৃঙ্খল চালিহার বিরুদ্ধে শিলচরে মামলা বিডিএফ যুবফ্রন্টের

শিবসাগরে বাঙালিদের হুমকির প্রতিবাদে লাচিত সেনার ‘শৃঙ্খল চালিহার বিরুদ্ধে শিলচরে মামলা করল বিডিএফ যুবফ্রন্ট।

আসামে বাঙালির উপর অত্যাচার এখনো চলছে। এখনো চলছে হুমকি ধামকি। এখনো বাঙালি বলে গাল দেয়া চলছে। এই পরিবেশ, এই দৃশ্যগুলো স্বভাবতই ভীষণ অস্বস্তিকর অসমের বাঙালিদের জন্যে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে অসমের শিবসাগর জেলায় ‘লাচিত সেনা’ নামক একটি সংগঠনের সদস্য ‘শৃঙ্খল চালিহা’কে জনৈক বাঙালি ব্যবসায়িকে হুমকি দিতে দেখা গেছে। ( দাদাগিরি এখানে চলবে না… হেংদাং নিয়ে আসবো, জেল আমাদের দ্বিতীয় ঘর) … এভাবে করেই তাঁকে হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অসমের শিলচরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করল বিডিএফ যুবফ্রন্ট।

এক প্রেসবার্তায় যুবফ্রন্টের মুখ্য আহ্বায়ক কল্পার্ণব গুপ্ত বলেন যে লাচিত সেনার এই পদক্ষেপ ধিক্কারযোগ্য এবং অসমে বসবাসকারী অসংখ্য বাঙালি ও অসমিয়াদের প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ককে নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এসব ইচ্ছাকৃত ভাবে করা হচ্ছে। শৃঙ্খল বলেছেন যে আসামে থেকে বাঙালিদের দাদাগিরি চলবে না, তাদের অসমিয়াদের পদানত হয়ে থাকতে হবে। তিনি বলেন যে শৃঙ্খল একবার ইতিহাস পড়লেই বুঝতে পারবেন যে বাঙালিরা স্বেচ্ছায় এ রাজ্যে আসেননি।

আসামে যথাযথ রাজস্ব আদায় হচ্ছে না বলেই ১৮৭৪ সালে তত্‍কালীন বাংলা থেকে কেঁটে তিনটি জেলাকে আসামে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কাজেই লাচিত সেনার এসব বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচায়ক ও চরম জাতিবিদ্বেষ প্রসূত। কল্পার্ণব বলেন আমরা চাই যে শৃঙ্খল চালিহাকে এজন্য জবাবদিহি করতে বাধ্য করা হোক এবং সেজন্যই বিডিএফ যুবফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমরা তার বিরুদ্ধে এই মামলা করতে বাধ্য হলাম।

আমরা চাই সরকার তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা নিন। এই ব্যাপারে পরবর্তী সরকারি পদক্ষেপের দিকে আমরা দৃষ্টি রাখব। বিডিএফ মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বার্তায় এই খবর জানিয়েছেন আহ্বায়ক ‌হৃষীকেশ দে ও জয়দীপ ভট্টাচার্য।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *