শিরোনাম
শনি. জানু ৩, ২০২৬

বুধবার সকালে মুক্তি পাচ্ছেন পরীমনি!

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি গ্রেপ্তারের ২৬ দিন পর মঙ্গলবার জামিন পেয়েছেন। তবে জামিনের কাগজপত্র কারাগারে বিলম্বে পৌঁছায় আজ তিনি ছাড়া পাচ্ছেন না।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে জামিন আদেশ না পাওয়ায় তাকে মুক্তি দেওয়া যায়নি। তবে আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে সোয়া ৯টায় তাকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।

কাশিমপুর মহিলা কারাগারের জেল সুপার হালিমা খাতুন ঢাকা টাইমসকে জানান, আজ বিকাল ৬টার মধ্যে জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছায়নি। ফলে কারাগার লকআপ হয়ে গেছে। তবে তার জামিন আদেশ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছেছে। এখন তার জামিনের কাগজপত্র এই কারাগারে পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করে আগামীকাল সকাল ৯টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।

এর আগে তিন দফা রিমান্ডের পর জামিন আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার দুপুরে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক মুচলেকায় পরীমনিকে জামিন দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। আদেশের পর মঙ্গলবার বিকাল থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাফটকে স্থানীয় উৎসুক জনতা ভিড় জমান পরীমনির অপেক্ষায়। তবে শেষ পর্যন্ত পরীমনি মুক্তি না পাওয়ায় তারা ফিরে যান।

গত ১৯ আগস্ট পরীমনির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তৃতীয় দফায় এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিএমএম আদালত। সিএমএম আদালতের জামিন নামঞ্জুরের ওই আদেশের বিরুদ্ধে ২২ আগস্ট মহানগর দায়রা জজ আদালতে পরীমনির পক্ষে জামিন আবেদন দাখিল করা হয়। বিচারক ১৩ সেপ্টেম্বর জামিন আবেদনের শুনানির দিন ঠিক করেন। তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমনির আইনজীবী জেডআই খান পান্না ও মো. মজিবুর রহমান।

গত ২৬ আগস্ট হাইকোর্ট দুই দিনের মধ্যে কেন জামিন শুনানির নির্দেশ দেওয়া হবে না এই মর্মে বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কারণ দর্শানোর রুল জারি করেন।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজলের বেঞ্চ ওই আদেশ প্রদান করেন। গত রবিবার হাইকোর্টের ওই আদেশ পাওয়ার পর বিচারক ইমরুল কায়েশ হাইকোর্টের রুলের জবাব দেওয়ার আগেই ৩১ আগস্ট জামিন শুনানির তারিখ পুনঃনির্ধারণ করেন।

গত ৪ আগস্ট বিকালে বনানীর ১২ নম্বর রোডের পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র্যা ব। এ সময় বাসা থেকে সাড়ে ১৮ লিটার বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস, এক স্লট এলএসডি এবং একটি পাইপ জব্দ করা হয়। ওই ঘটনায় র্যা ব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান মাদক আইনে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় গত ৫ আগস্ট পরীমনির চার দিনের এবং গত ১০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। ওই রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তৃতীয় দফা রিমান্ড আবেদনে গত ১৯ আগস্ট পরীমনির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট পরীমনিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *