শিরোনাম
রবি. এপ্রি ২৬, ২০২৬

ডিভি লটারিতে নেই বাংলাদেশ তবুও সক্রিয় প্রতারক চক্র

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীণকার্ড (ডিভি-২০২৩) লটারিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে ৬ অক্টোবর থেকে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, কলম্বিয়া, ডমিনিকান রিপাবলিকান, আল সালভেদও, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, জ্যামাইকা, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সাউথ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য নেই এই কর্মসূচিতে। কারণ, এসব দেশ ইতিমধ্যেই লটারিতে অংশগ্রহণের কোটা পূরণে সক্ষম হয়েছে।

নভেম্বরের ৯ তারিখ দুপুর পর্যন্ত এই লটারির আবেদন গ্রহণ করা হবে। সামনের বছর ৮ মে থেকে বিজয়ীদের নাম উঠবে লটারিতে। মোট ৫৫ হাজার জন বিজয়ী হবে। বিজয়ীর স্বামী/স্ত্রী, সন্তানেরাও ভিসার যোগ্য হবেন। আবেদন যথারীতি গ্রহণ করা হচ্ছে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে Dvprogram.state.gov । পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যোগ্য দেশসমূহের নাগরিকদেরকে কালক্ষেপণ না করে ওয়েবসাইটে দরখাস্ত সাবমিটের পরামর্শ দিয়েছে। আবেদন জমা দিতে কোন ফি লাগবে না।

জানা গেছে, গত বছর এ লটারিতে মোট ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩০২জন আবেদন করেছিলেন। বিজয়ী ৫৫ হাজার জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল মিশর, রাশিয়া, সুদান এবং আলজেরিয়া। উল্লেখ্য, যে সব দেশ কম ভিসা পাচ্ছে, কেবলমাত্র তারাই এ লটারিতে অন্তর্ভূক্ত হয়।

বাংলাদেশ অনেক আগেই ডিভি লটারির আওতামুক্ত হয়েছে। এতদসত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ একটি চক্র এবারও ঢাকায় তাদের এজেন্টদের জানিয়েছে গ্রামের উচ্চ শিক্ষিতদের আবেদন ওয়েবসাইটে প্রেরণের জন্যে। এজন্যে তারা নির্দিষ্ট পরিমাণের ফি ধার্য করে দিয়েছে বলে নিউইয়র্কে ব্যাপক গুঞ্জন উঠেছে। এমন নিশ্চয়তাও দেয়া হচ্ছে যে, তাদের মাধ্যমে আবেদন সাবমিট করলেই ভাগ্য প্রসন্ন হবে। এ ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানিয়ে সুধীজন এ সংবাদদাতাকে বলেছেন, বাংলাদেশের কোন নাগরিক ডিভি লটারিতে আবেদনের যোগ্য নন। তাই তারা যেন কারো কথায় বিভ্রান্ত না হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *