শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

আসামের উমরাংশুতে ডিমাসা বীর তুলারাম সেনাপতির পূর্ণাবয়ব মূর্তির আবরন উন্মোচন

পঙ্কজকুমার দেব, হাফলং: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। উমরাংশু শহরের প্রাণকেন্দ্রে পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের অর্থানুকূল্যে স্থাপন করা ডিমাসা বীর তুলারাম সেনাপতির পূর্ণাবয়ব মূর্তির আবরন উন্মোচন হলো। উন্মোচক সিইএম দেবোলাল গর্লোসা। মার্বেল পাথরের এই মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ডিমাসা দল সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সম্মানীয় অতিথি উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান বিমল হোজাই, ইএম বিশ্বজিৎ দাওলাগুপু, বর্মণ কাছাড়ি ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রূপেশ বর্মণ খেরসা, ডিমা জ্বালাই হসমের সভাপতি স্লাইরিং সেংইউং, পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের প্রধান সচিব (নর্মাল) মুকুট কেম্প্রাই, আডসু,ডিএসইউ প্রতিনিধি প্রমুখ।

এদিন মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে নিপকো রিক্রিয়েশন ক্লাবে ডিমাসাদের বিভিন্ন দল সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বীর সেনাপতি তুলারামের প্রতিকৃতির সম্মুখে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন সিইএম গর্লোসা। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের প্রধান সচিব (নর্মাল) মুকুট কেম্প্রাই, স্থানীয় পরিষদ প্রতিনিধি জয়সিং দুরুং,অসমের শিলচরের বর্মণ কাছাড়ি ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রূপেশ বর্মণ খেরসা, ডিমা জ্বালাই হসমের সভাপতি স্লাইরিং সেংইউং, উত্তর পূর্বাঞ্চলের সংঘ নেতা দীনেশ তিওয়ারি প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ মুরব্বী দেবোলাল গর্লোসা বলেন ‘ আমরা যদি ভুলে যাই তাহলে চলবে না। কারণ অতীত ইতিহাস এক সভ্য জাতিকে ভবিষ্যতের জন্য কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে। কারণ বীর সেনাপতি তুলারাম ডিমাসাও অনুরূপ এক ইতিহাস। তাঁর বীরত্বের কাছে ইংরাজ শাসকরা হার মেনে ছিলেন।

তাই এহেন বীরকে নতুন প্রজন্মের কাছে ভালো করে পরিচয় তথা সম্মান জানাতেই এই মূর্তি স্থাপন। তিনি বলেন আগামী দিনে তুলারামের স্থাপন করা দূর্গ তথা তাঁর আস্তানা সংরক্ষণ করতে সেখানে মিউজিয়াম গড়ে তোলা হবে। নতুন পরিকল্পনা হিসেবে স্বাধীনতা সংগ্রামী জয়া থাওসেনের এক প্রতিমূর্তি স্থাপনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সিইএম।

অবশ্য ইতিমধ্যে অসমের গুয়াহাটিতে সেঙইয়া জয়া থাওসেনের নামে গার্লস হোস্টেল করা হয়েছে। তিনি বলেন ডিমাসা সমাজ চেয়েছে তাই উদ্যোগ নগরী উমরাংশুতে বীর তুলারাম সেনাপতির মূর্তি স্থাপন সম্ভব হয়েছে। সিইএম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। তবে অনেক কাজ করার আছে। সবার সহযোগিতা পেলে তা সম্ভব হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *