শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

মাদার টেরিজার সংগঠনের সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল নরেন্দ্র মোদী সরকার, অসন্তোষ মমতার

পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি: বিস্মিত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ কেন্দ্র মাদার টেরিজা প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটির সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। সেগুলোতে আর লেনদেন হবে না। এই সংবাদে বিস্মিত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন নেত্রী।

সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে টুইটে জানিয়েছেন, “বড়োদিনের উৎসবের মধ্যে মাদার টেরিজার মিশনারিজ অব চ্যারিটির সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে শুনে আমি বিস্মিত।’

যদিও এখনো অবধি এই খবর সম্পর্কে কলকাতার মাদার হাউজ কোনো মন্তব্য করেনি। কোন রকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। মন্তব্য না করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটারে লিখেছেন, “মিশনারিজ অব চ্যারিটির ২২ হাজার রোগী এবং কর্মীরা খাবার এবং ওষুধ পাচ্ছেন না। আইন সবার উপরে হলেও মানবিক কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠিক নয়।”

Shocked to hear that on Christmas, Union Ministry FROZE ALL BANK ACCOUNTS of Mother Teresa’s Missionaries of Charity in India! Their 22,000 patients & employees have been left without food & medicines. While the law is paramount, humanitarian efforts must not be compromised. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইট।

ঠিক কোন কারণে বন্ধ করা হলো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট?

কেন্দ্র এ বিষয়ে কথা এড়িয়ে যায়নি। তাদের দাবি অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। যদিও অন্যান্য সংবাদ পত্রিকা মারফত জানা গিয়েছে, সংবাদমাধ্যমের তরফে মাদার হাউজকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তাদের তরফ থেকে কোনোরকম সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গুজরাটে এই সংগঠনের হোমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। সেখানে নাকি মেয়েদের জোর করে বাইবেল পড়ানো হয়। এমনকি গলায় ক্রস পরতেও বাধ্য করা হয়। শুধুমাত্র তাই নয়, হিন্দু মেয়েদের জোর করে আমিষ খাওয়ানো হয়। গুজরাট পুলিশ তদন্ত করছে।

জানা যাচ্ছে, একটি শিশু কল্যাণ সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে। ধর্মান্তকরণও হয়েছে বলে অভিযোগ। সংগঠনটি অভিযোগ করে এ বিষয়ে বলেছে, গুজরাটে এমনকি হোমের লাইব্রেরি থেকে ১৩টি বাইবেল পাওয়া গিয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *