শিরোনাম
শুক্র. এপ্রি ২৪, ২০২৬

ভোটের সময় ইসির অধীনে কিছু মন্ত্রণালয় রাখার প্রস্তাব

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। এ ছাড়া নির্বাচনের সময় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ইসির অধীনে রাখতে পৃথকভাবে প্রস্তাব দিয়েছে দুটি দল। এ ছাড়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে গতকাল বুধবার বঙ্গভবনে পৃথকভাবে সংলাপে অংশ নেয় দল দুটি। সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। দলের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মান্নান ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে সংলাপে অংশ নেন। আর রাত সাতটায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দলের সহসভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম দীর্ঘদিন বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক ছিল। তবে গত বছরের শেষের দিকে দলটি বিএনপি জোট ছেড়ে দেয়। গতকাল সংলাপে অংশ নিয়ে দলটি ছয় দফা প্রস্তাব জমা দেয় রাষ্ট্রপতির কাছে। ইসি গঠনে আইন প্রণয়ন ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া আরও যেসব দাবি করেছে, এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনে ইসিকে ক্ষমতা দেওয়া; নির্বাচনের সময় প্রশাসনের সব স্তরে রদবদলের ক্ষমতা ইসির হাতে থাকা; নির্বাচনের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ইসির ওপর ন্যস্ত করা।

এর আগে সংলাপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সংবিধান মেনে ইসি গঠনে আইন প্রণয়নসহ চার দফা প্রস্তাব করে। অন্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে নির্বাচনের সময় স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয় ইসির অধীনে ন্যস্ত করতে হবে। দেশের প্রখ্যাত পাঁচ ব্যক্তির সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা।

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *