শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ১৫, ২০২৬

ত্রিপুরা রাজ্যের শিক্ষা অধিকর্তা ছাত্র-ছাত্রীদের কথা শুনছেন না, অভিযোগ এসএফআই’র

ত্রিপুরা নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরা রাজ্যের শিক্ষা অধিকর্তা থেকে শুরু করে জেলাশাসক কেউ ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়ে কথা শুনতে রাজি নন। এই গুরুতর অভিযোগ করেন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি সম্পাদক সন্দীপন বিশ্বাস।

শিক্ষা সংক্রান্ত ৭ দফা শনিবার ডেপুটেশন দিল বামফ্রন্ট সমর্থিত দুটি ছাত্র সংগঠন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি এবং উপজাতি ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা। সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ আগরতলার অফিস লেনের উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তার নিকট ডেপুটেশন তুলে দেয়। এদিনের এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন এস এফ আই’র ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির সম্পাদক সন্দীপন বিশ্বাস।

তিনি জানান পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে তারা এদিন ডেপুটেশন তুলে দিতে এসেছেন শিক্ষা অধিকর্তার কাছে। আগরতলা পার্শ্ববর্তী রাজ্যের প্রতিটি জেলা এবং মহকুমা স্তরে শিক্ষা দপ্তরের অফিসে তারা ৭ দফা দাবিতে ডেপুটেশন দেবেন বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন তারা সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করছেন কিন্তু পশ্চিম জেলার জেলাশাসক থেকে শুরু করে শিক্ষা অধিকর্তা কেউ তাদের ডেপুটেশন নিতে রাজি হননি।

বেশ কিছুদিন ধরে অনুরোধ করার পর শিক্ষা অধিকর্তা ডেপুটেশন গ্রহণে রাজি হয়েছেন। এ থেকে প্রমাণিত কেউ ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়ে কথা শুনতে রাজি নয়।

তাদের এই দাবী গুলি হল – কোভিড বিধি মেনে ত্রিপুরা রাজ্যের হোস্টেল চালু রাখতে হবে। সরকারী উদ্যোগে শিক্ষাঙ্গনসহ হোস্টেল গুলিতে যথেষ্ট পরিমাণে কোভিড টেস্টের ব্যবস্থা করতে হবে। আবাসিক ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কেউ কোভিড পজিটিভ হলে তাদের জন্য স্বাস্থ্যসন্মত নিভৃতবাসের উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়ের আগে পরীক্ষার নেওয়ার পরিকল্পনা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

পরীক্ষা নেওয়ার পূর্বে সম্পূর্ণ সিলেবাস যাতে শেষ করা হয় তার দিকে দপ্তরকে নজর দিতে হবে। বিশেষ কারণে সিলেবাস শেষ করা না গেলে ছাত্রছাত্রীদের সাথে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি যাতে কোভিডবিধিকে যথাযথ মান্যতা দেয় তার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ ও নজরদারির ব্যবস্থা নিতে হবে।পরীক্ষার সময় ছাত্রছাত্রীরা যাতে কোভিড সংক্রমণ না ঘটে তা নিশ্চিত করতে যথেষ্ট সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সমস্ত কোভিড বিধি মেনে ক্যাম্পাস সচল রাখার জন্য শিক্ষা দপ্তরের ভরফে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে।কোভিড পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীদের সমস্ত প্রকারের ফি মকুব করতে হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *