শিরোনাম
বুধ. ফেব্রু ১১, ২০২৬

১০২ বছরে পা দিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১০২ বছরে পদার্পণ করলো দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রতিষ্ঠার এ দিনটি প্রতিবছর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য– ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন : ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাবি ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল সাজে। বিশেষ এই দিনটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন, কার্জন হল, কলা ভবন ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), প্রশাসনিক ভবনসহ কয়েকটি ভবন লাল, সবুজ, নীল রঙের বাতির আলোয় সাজানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও ক্যাম্পাস সাজানো হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার সহযোগিতা পেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরও অনেক বেশি এগিয়ে যাবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাবির কর্মসূচি

শুক্রবার (১ জুলাই) সকাল ১০টার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা সহকারে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে সমবেত হবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়ানো, কেক কাটা এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে থিম সং পরিবেশিত হবে।

সকাল ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন : ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনা সভায় অংশ নেবেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষার বিস্তার, মানসম্পন্ন গবেষণা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসার, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেছেন, ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কিত জ্ঞান ও বিজ্ঞানের নিবিড় চর্চা এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশ নামের জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টিতে এ প্রতিষ্ঠানটির অনবদ্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *