শিরোনাম
মঙ্গল. ফেব্রু ১০, ২০২৬

আসামে জাপানীজ এনসেফেলাইটিস রোগে আক্ৰান্ত রোগীর সংখ্যা ভয়ঙ্কর হারে বাড়ছে

আসাম নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়ঙ্কর হারে বাড়ছে জাপানীজ এনসেফেলাইটিস রোগে আক্ৰান্ত রোগীর সংখ্যা। এই রোগে আক্ৰান্ত হয়ে গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবারও ৩ জন প্ৰাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃত তিন জনের মধ্যে ২ জন যোরহাট এবং একজন গোলাঘাটের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত ১৩ জন এই রোগে আক্ৰান্ত হয়ে মারা গেছে।

মঙ্গলবার ১৭ জনের শরীরে জাপানীজ এনসেফেলাইটিস ধরা পড়েছে। তার মধ্যে ধুবড়ির একজন, নগাঁও ২ জন, শিবসাগর ৩ জন, ধেমাডি ২ জন, শোণিতপুরে ২, এবং যোরহাট জেলায় ৬ জন এই রোগা আক্ৰান্ত হয়েছেন। গতকাল এই রোগে আক্ৰান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৩। চলতি মাসে

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্ৰে খবর, রাজ্যে ১১৫ জন জাপানীজ এনসেফেলাইটিস রোগে আক্ৰান্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শনিবারের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত জেলাকে তীব্র এনসেফালাইটিস সিন্ড্রোম (AES) এবং জেই-এর উপর একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্ৰসঙ্গত উল্লেখ্য যে, জাপানি এনসেফেলাইটিস একটি ভাইরাল মস্তিষ্কের সংক্রমণ। এটি মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রতি বছর, জাপানিজ এনসেফেলাইটিস এবং ম্যালেরিয়ার কারণে রাজ্যে বহু মানুষ প্ৰাণ হারায়। বিশেষ করে মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে বর্ষা এবং বন্যার সময় বেশি করে এই রোগের প্ৰাদুর্ভাব হয়।

মঙ্গলবার পর্যন্ত অসমে বন্যা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও রাজ্যের সাতটি জেলা জুড়ে এখনও ২.৯২ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এই বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে অসমে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে এখন পর্যন্ত ১৯২ জন মানুষ প্ৰাণ হারিয়েছেন। কাছাড় জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১.৬৮ লক্ষেরও বেশি মানুষ এখনও জল দুর্যোগ পোহাচ্ছেন। অসম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (ASDMA) দেওয়া তথ্য অনুসারে বর্তমানে রাজ্যে কোনও নদীই বিপদ সীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে না। যা রাজ্যবাসীর কাছে অনেক বড় একটা স্বস্তির কারণ।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *