শিরোনাম
শুক্র. ফেব্রু ১৩, ২০২৬

আসামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দার্জিলিংয়ে মুখোমুখি হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন উত্তরীয়

আসাম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান, বা হাসির খোরাক নন, তবে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এসব নিয়ে কখনোই কথা বলেন না। তাঁরা ভিন্ন দলের হলেও এবারে একসাথে বৈঠক করলেন। রাজ্য রাজনীতিতে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে শুধুমাত্রই পাহাড়।

মুখ্যমন্ত্রী আগে থেকেই দার্জিলিঙে ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও পাহাড়ে গিয়েছেন। দার্জিলিং এবার জমজমাট হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় তো ছিলেনই, বুধবার দার্জিলিঙে ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

রাজ্যপাল জগদীপ হিমন্তকে দার্জিলিং রাজভবন আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এবং সেই চা-চক্রে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার বিকেলে দার্জিলিং রাজভবনে একসাথে হন তিন জন—মমতা, হিমন্ত, জগদীপ।

বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ দার্জিলিং রাজভবনে ঢোকেন পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোটামুটি আড়াই ঘণ্টা পর রাজভবন থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে কৌতুহলের অন্ত ছিল না। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী রাজভবন থেকে বেরিয়ে জানান, কোনরকম রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। এটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেন তিনি।

চা খেলেন সে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। রাজভবন থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কী আর বলব। চা খেলাম বসে। আমি যখন থাকি, তখন তো রাজ্যপাল থাকেন না। আবার রাজ্যপাল যখন থাকেন তখন আমিও থাকি না। আবার অসমের মুখ্যমন্ত্রীও এসেছেন ওনার কাজে। তাই তিনি দুই জনকেই চা খেতে ডেকেছিলেন। একটু চা খেলাম আর একটা বিস্কুট খেলাম। আমার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। এটি শুধুই সৌজন্যমূলক চায়ের বৈঠক।” আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কোনোরকম কথা হয়নি অসম, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে

অসমের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে অসমের উত্তরীয় দেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তকে বাংলার উত্তরীয়। মমতা বলেন, “ভাল লাগল। আমি যখন কামাখ্যায় গিয়েছিলাম। তখন ওরা আমাকে খুব সাহায্য করেছিল। আজ উনি আমাকে অসমের উত্তরীয় দিয়েছেন, আমিও ওনাকে বাংলার উত্তরীয় দিয়েছি। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক রাখা উচিত বলেই মনে করি আমি। কারণ, অসমের অনেকে বাংলায় থাকেন। বাংলারও অনেকে অসমে থাকেন। আবার আমাদের সীমানাও রয়েছে অসমের সঙ্গে। যদি কখনও কোনও প্রয়োজন হয়, তখন একটা যোগাযোগ রাখা উচিত।”উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, রাজ্যপালের সাথে মমতার সবসময়ই বাদাবাদি সম্পর্ক। কথার সংঘর্ষ লেগেই থাকে তাঁদের মধ্যে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *