মতিউর রহমান মুন্না, গ্রীস: গ্রীসের রাজধানী এথেন্সে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ সময় বাংলা সাহিত্যের দুই পুরোধা ব্যক্তিকে স্মরণ করা হয়।
রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্র-নজরুল সাহিত্য পাঠে আগ্রহী করে তোলার জন্য অভিভাবকদের আহ্বান জানান। তিনি বাংলা সাহিত্যে নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে এর তাৎর্পয সম্পর্কে আলোচনা করেন।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য কীর্তির প্রতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবিশেষ গুরুত্বারোপের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধু কবিগুরুর বিখ্যাত ‘আমার সোনার বাংলা’ গানকে আমাদের জাতীয় সংগীত করেছেন এবং কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে আমাদের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি নজরুলের সাহিত্যকর্ম ও তার জীবনের নানা দিক নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন এথেন্সস্হ দোয়েল একাডেমির শিক্ষিকা খন্দকার মেভিজ পরমা এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা-গ্রীক শিক্ষা কেন্দ্রের প্রধান শিক্ষিকা সিলভিয়া সাহরীন।
এরপর, দূতাবাস পরিবারের সদস্য, এথেন্সস্হ দু’টি বাংলাদেশি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীদের পরিবেশনায় এবং নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি আরিক আহ্মদ ও ঈশিকা খলিফার সঞ্চালনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন শ্রোতারা।

