শিরোনাম
শুক্র. ফেব্রু ২০, ২০২৬

চীনের বিরুদ্ধে হঠাৎ ‘বন্ধু সেজে ছুরি মারা’র অভিযোগ মিয়ানমারের!

দক্ষিণ এশিয়ায় বরাবারই চীনের বন্ধু হিসেবে পরিচিত মিয়ানমার। কিন্তু সেই বন্ধু দেশ মিয়ানমারই চীনের বিরুদ্ধে তুলল অভিযোগ। সন্ত্রাস দমনে সাহায্যের প্রার্থনা নিয়ে দ্বারস্থ হলেন মায়ানমারের সেনা প্রধান।

চীনের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের অভিযোগ, চীন মিয়ানমারের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে আগ্নেয়াস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করছে।

সম্প্রতি রাশিয়ার একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন মিয়ানমারের সিনিয়র জেনারেল মিন আং হ্লুইং। তিনি বলেছেন, দেশের সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির পিছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী। আর সেই শক্তিশালী সেনাবাহিনীর উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি টেনে নিয়ে এসেছেন চীনের প্রসঙ্গ।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মুখপত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন পরে বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, সেনা প্রধান বলতে চেয়েছেন আরাকান আর্মি, আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির মত সন্ত্রাসবাদী দলগুলিকে একটি শক্তিশালী সেনা বাহিনী মদত দিচ্ছে। পাশাপাশি চীন সীমান্তের অবস্থিত রাইখান রাজ্যের জঙ্গিদের কথাও উঠে এসেছে সেই প্রসঙ্গে। আরাকান সেনাবাহিনীর পিছনে একটি দেশ রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, চীনের তৈরি অস্ত্রগুলিই ২০১৯ সালে দেশের সামরিক বাহিনীর ওপর প্রয়োগ করেছিল দেশের জঙ্গি সংগঠন।

সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে মায়ানমারের সেনা প্রধানের বক্তব্য হল, একটি দেশ তার মাটিতে চলা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বন্ধ করতে সক্ষম। কিন্তু সন্ত্রাসবাদীদের পিছনে কোনও শক্তিশালী সেনাবাহিনীর হাত থাকলে তা খুবই দুষ্কর হয়ে ওঠে। পাশাপাশি সেনা প্রধান সন্ত্রাস দমনের ওপর জোর দিয়ে দেশগুলির ওপর পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *