আসাম নিউজ ডেস্ক: অসম বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে বিধানসভা এলাকা উন্নয়ন তহবিলের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি উঠেছে। আজ মঙ্গলবার কংগ্ৰেস বিধায়ক জাকির হুসেন শিকদার বিধানসভা এলাকা উন্নয়ন তহবিলের বছরে ১ কোটি থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্ৰস্তাব পেশ করেন।
জাকির হুসেন শিকদারের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দলীয় (রাইজর দল) বিধায়ক অখিল গগৈ বিধানসভা এলাকা উন্নয়ন তহবিলের মূলধন ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর পরামৰ্শ দিয়েছিলেন। বিরোধী বিধায়করা টেবিল চাপড়ে তাঁর প্ৰস্তাবকে স্বাগত জানান। জাকির হুসেন শিকদার প্ৰস্তাবটির ওপর শাসক দলের সমৰ্থন চেয়ে একে সৰ্বসম্মতভাবে গৃহীত করতে আবেদন রেখেছিলেন।
এদিকে এআইইউডিএফ বিধায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১৩ বছর ধরে বিধানসভা এলাকা উন্নয়ন তহবিলের পরিমাণ বাড়ানো হয়নি। তিনি বলেন, বিধানসভা এলাকা উন্নয়নের জন্য এই তহবিল বাড়ানো প্ৰয়োজন।
শাসকদল বিজেপি বিধায়ক রূপজ্যোতি কুৰ্মি এই প্ৰস্তাবকে ‘অব্যবহারিক’ বল বিরোধিতা করে বলেন, সরকারি প্রকল্পগুলি কেবল বিধায়কদের পরামৰ্শের ভিত্তিতে অনুসরণ করা হয়। তাই বিধানসভা এলাকা উন্নয়ন তহবিলের মূলধন বাড়ানোর কোনও প্ৰয়োজন নেই। বলেন, বিধায়করা এমনিতেই ৫০ কোটি টাকার বেশি বাৰ্ষিক প্রকল্প লাভ করেন।
সংসদীয় পরিক্ৰমা দফতরের মন্ত্ৰী পীযূষ হাজরিকা বলেন, বহু জায়গায় সাংসদ, বিধায়কের তহবিলে অনিয়ম চলে, মানুষ এ বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন। সরকার সব বিধানসভা এলাকা উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। সরকার বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তাবয়ন করছে। তবে এ ব্যাপারে বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে বিবেচনা করা হবে। পীযূষ বলেন, সম্মানীয় বিধায়কদের প্ৰস্তাবকে সরকার নাকচ করেনি।
মন্ত্ৰীর জবাব শুনে বিধায়ক জাকির হুসেন শিকদার বিজেপি বিধায়ক রূপজ্যোতি কুৰ্মির প্রদত্ত বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। তিনি আশা করেন, শীঘ্ৰই এ বিষয়ে সরকার বিবেচনা করবে। তিনি তাঁরা প্ৰস্তাবও প্ৰত্যাহার করে নেন।

