শিরোনাম
মঙ্গল. মার্চ ১৭, ২০২৬

বুবলীর সঙ্গে আর কোনো ছবিতে কাজ করবেন না শাকিব খান

বিনোদন ডেস্ক: ‘বসগিরি’ সিনেমা দিয়ে ২০১৬ সালে শাকিব খানের বিপরীতে অভিষেক ঘটে শবনম বুবলীর। সেই থেকে শুরু, এরপর ৭ বছরে একসঙ্গে জুটি বেঁধে ১২টি সিনেমায় অভিনয় করেন তারা। পর্দার প্রেম রূপ নেয় বাস্তবে, এরপর তা গড়ায় বিয়েতেও। তাদের ঘরে শেহজাদ খান বীর নামে একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।

তাদের পর্দা ও ব্যক্তিগত জীবন মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়ার পরপরই এই অধ্যায়ের সমাপ্তি টানেন শাকিব। ব্যক্তিজীবনে যে তারা আলাদা থাকছেন সে কথা শাকিব নিজেই জানিয়েছিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বাস্তব জীবনে বুবলীর সঙ্গে আমার সকল সম্পর্ক অনেক আগে শেষ হয়ে গেছে, সেটাই বলতে চেয়েছি। তার জীবন তার, আমার জীবন আমার।

এই জুটি সর্বশেষ অভিনয় করেছেন সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমাতে। এই ছবির শুটিং করতে গিয়েও তারা দুজন ছিলেন দু মেরুর দু প্রান্তে।

শাকিব জানালেন, শুধু ব্যক্তিগত নয়, এবার পর্দার অধ্যায়েরও সমাপ্তি টানলেন তিনি। তাদেরকে আর কখনো একসাথে পর্দায় দেখা যাবে না।

একসাথে কখনো অনস্ক্রিন-অফস্ক্রিন কোথাও দেখা যাবে না জানিয়ে একটি গণমাধ্যমে শাকিব খান বলেন, ‘বুবলীর সঙ্গে আমি আর কোনো ছবিতে কাজ করব না, এটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

এই জুটির ‘লিডার’ সিনেমার ‘সুরমা সুরমা’ গানটি এখন মানুষের মুখে মুখে। তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। রোমান্টিক এই গানের দৃশ্যায়নে শাকিব এবং বুবলী দুজনের রসায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠে কারণ গান ভিডিওর দৃশ্যে তাদের দুজনকে কাছাকাছি আসতে দেখা যায়নি এবং স্পর্শ করতেও দেখা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, ‘সুরমা সুরমা’ গানটি যারা দেখেছে তারা খেয়াল করবেন, একটা রোমান্টিক গান নায়িকাকে স্পর্শ করা ছাড়াই হয়েছে। আমার পুরো অভিনয়জীবনে এমনটা কখনো ঘটেনি। কারণ আমি আর কোনো দিন বুবলীর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চাই না।

‘সন্তানের কারণে আমাদের যা করণীয় সেটাই হবে, দ্যাটস ইট। আগেই বলছি, তার সঙ্গে আমার অধ্যায় পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে।’-যোগ করেন শাকিব।

সন্তান প্রসঙ্গে শাকিব বলেন, শেহজাদ এখনো ছোট। সে মায়ের সঙ্গে থাকে। শেহজাদ যখন বাবার সঙ্গে দেখা করতে আসে, তখন ন্যানির (আয়া) সঙ্গে মাও আসে। তখন আমাদের ছবিটবি ওঠে। সন্তানের জন্য আমাদের দেখা সাক্ষাৎ হবে এটাই স্বাভাবিক।

আমার বড় সন্তান আব্রাহাম এখন একা আসতে পারে। স্কুল বন্ধ থাকলে আমার সঙ্গে কয়েক দিন থাকেও। আমার সঙ্গে মসজিদে জুমার নামাজও পড়তে যায়। শেহজাদেরও যখন একা থাকার বয়স হবে, তখন সেও একা একা আসবে। বাবার সঙ্গে থাকবে। ঘুরবেও, বেড়াবে। দুই সন্তান বাবার সঙ্গে ঘুরবে, বেড়াবে—এসব তো স্বাভাবিক নাকি?

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *