শিরোনাম
মঙ্গল. ফেব্রু ১৭, ২০২৬

১০৩ দিন পর খুলল মায়াপুরের ইসকন, মন্দির চত্বরে মানতে হবে কোভিড প্রোটোকল

হাইলাইটস

  • ১০৩ দিন বন্ধ থাকার পর সর্বসাধারণের জন্য খুলে গেল মায়াপুরের ইসকন মন্দির।
  • এখন এক এক করে সব খুলতে শুরু করেছে। ইসকনেও মন্দিরে ঢোকার সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।
  • ঢোকার সময় পুণ্যার্থীদের থার্মাল স্ক্রিনিং হবে। হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হবে।

ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে কোপ পড়েছিল ভগবানের ঘরেও। বড় বড় ধর্মস্থানই সবার আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল করোনাভাইরাসের লকডাউন পর্বে। উদ্দেশ্য ছিল, সংক্রমণ যেভাবেই হোত রুখতে হবে। জুন মাস থেকেই ধীরে ধীরে শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। জুলাই পড়তেই আনলক পর্বের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতোমধ্যেই খুলে গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর কালিমন্দির, বেলুর মঠ, কালীঘাট। এবার খুলে গেল মায়াপুরের ইস্কন মন্দির। ১০৩ দিন বন্ধ থাকার পর সর্বসাধারণের জন্য খুলে গেল মায়াপুরের ইসকন মন্দির। তবে মানতে হবে কোভিড প্রোটোকল।

করোনা সতর্কতায় রাজ্যের একের পর এক মন্দির বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন এক এক করে সব খুলতে শুরু করেছে। ইসকনেও মন্দিরে ঢোকার সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। স্যানিটাইজার এবং দূরত্ববিধি বজায় রাখতে হবে বলে জানানো হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির। ঢোকার সময় পুণ্যার্থীদের থার্মাল স্ক্রিনিং হবে। হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হবে।

একসঙ্গে কতজন পুণ্যার্থী মন্দিরে ঢুকতে পারবেন, তার কোনও সংখ্যা বেঁধে দেয়নি মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে খুব বেশি ভিড় যাতে না হয়, সেদিকে নজর থাকে কর্তৃপক্ষের। রবিবার থেকেই মন্দিরে পুণ্যার্থীরা যেতে শুরু করেছেন।

মন্দির চত্বরের প্রধান গেট এতদিন বন্ধ থাকায় কিছুদিন আগেই মন্দিরের বেশ কয়েকজন কর্মীকে ছাঁটাই করেছিল কর্তৃপক্ষ। পর্যটক না আসার জেরে বন্ধ হয়ে যায় মন্দিরের আয়। ফলে কাজ হারিয়েছেন নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দির চত্বরে কর্মরত প্রায় দেড় হাজার কর্মী। আপাতত খুব কম সংখ্যক লোকজনের মাধ্যমে মন্দির চত্বরের জরুরি কাজ চালানো হচ্ছে।

মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, সংকটের মধ্যেও ত্রাণসামগ্রী বিতরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। লকডাউনের শুরু থেকেই মন্দিরের বাইরের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মধ্যে প্রতিদিন খিচুড়ি বিলি করা হচ্ছে। মন্দিরের আবাসিক হিসাবে রয়েছেন প্রচুর ভক্ত। কাজে এবং পড়াশোনার জন্য এসে আটকে গিয়েছেন অনেকেই। ইতিমধ্যেই প্রচুর খরচ হয়েছে। মন্দিরের পুজো-অর্চনা ও অন্যান্য নিত্যখরচও নেহাত কম নয়। এবারের রথযাত্রাও মন্দির চত্বরের মধ্যে খুবই ছোট করে হয়েছে। ঠিক করা হয়েছিল, জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রার তিনটি রথের দড়ি টানবেন মাত্র কুড়িজন করে ভক্ত। কীর্তন ও পুজার্চনার জন্য থাকবেন মাত্র পাঁচজন করে। সেই মতোই রথের নিয়ম পালন করা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *