শিরোনাম
বুধ. মার্চ ১১, ২০২৬

নবান্নের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আঁটসাঁট করতে নানান উদ্যোগ

  • প্রত্যেক ফ্লোরে বাড়ছে নিরাপত্তারক্ষী
  • সরকারি কর্মচারীদের জন্য চিপকার্ড

পশ্চিমবঙ্গ নিউজ ডেস্ক: নবান্নের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আঁটসাঁট করতে গ্রহণ করা হয়েছে নানান উদ্যোগ। আর সেটা করতে গিয়ে এই চিপ কার্ড চালু করা হচ্ছে। নবান্নের প্রত্যেক তলায় নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। রেজিস্ট্রার খাতায় কে, কোথায় যাচ্ছে লিখে রাখবে পুলিশ। নবান্নের প্রত্যেকটি অফিসের সামনে পুলিশ প্রহরা বসানো হবে। সরকারি কর্মীদের হাজিরা সুনিশ্চিত করতে নবান্নের সব ফ্লোরে ফেস রেকগনিশন ক্যামেরা বসেছে।

রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কার্যালয় নবান্নে হঠাৎ করে অনেকে ঢুকে পড়ছেন। তাই নবান্নের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আঁটসাঁট করতে উদ্যোগ নিতে শুরু করা হল। এবার থেকে সাধারণ সরকারি কর্মচারী এবং অফিসাররা কে, কার ঘরে ঢুকছে এবং বেরচ্ছে, সেটার উপর নজরদারি চালানো হবে। তার জন্য নতুন চিপ কার্ড চালু করা হচ্ছে। নবান্নের কর্মীদের এবার থেকে সেই কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। আর তা নিয়েই নানা দফতরে যাওয়া যাবে। তবে অকারণে কোন কর্মী নিজের দফতর ছেড়ে অন্য দফতরে যেতে পারবেন না। এমনকী এক তলা থেকে উপরের তলায় যাওয়ার উপরও থাকছে নিষেধাজ্ঞা।

এদিকে বহিরাগত কেউ যাতে ঢুকে পড়তে না পারে তার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এবার থেকে নবান্নের নিরাপত্তাকর্মীরা যে কোনও কর্মচারীর পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখতে পারবেন। আবার যদি কেউ এই শৃঙ্খলা না মানেন তাহলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। অবাধ্য সরকারি কর্মীদের সঠিক পথে নিয়ে আসতেই এমন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, জিপিএস সিস্টেমের সাহায্যে সরকারি কর্মীদের গতিবিধি ট্র্যাক করা হবে। কোন কর্মী কোন দফতরে কাজ করেন তার যাবতীয় তথ্য ওই কার্ডের চিপে ভরা থাকবে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে সরকারি পরিচয়পত্র না থাকলে নবান্নে কেউ প্রবেশ করতে পারেন না। গেট দিয়ে ঢুকতেই যাবতীয় পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু নবান্নের অন্দরে কর্মীরা কে কার ঘরে ঢুকছেন সেটার কোনও নজরদারি ছিল না। তাই এই খবরে কিছুটা হলেও অস্বস্তি পড়েছেন সাধারণ কর্মীরা। সূত্রের খবর, নবান্নে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকলেও সিএমও অফিস, স্বরাষ্ট্র, অর্থ এবং নানা দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য–নথি বাইরে চলে যাচ্ছে। এই নথিপত্র বাইরে পাচারের পিছনে নবান্নের একশ্রেণীর কর্মীদের হাত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ‘‌ম্যান মার্কিং’‌ করে বিষয়টি আটকাতে চাইছে নবান্ন।

আর সেটা করতে গিয়েই এই চিপ কার্ড চালু করা হচ্ছে। নবান্নের প্রত্যেক তলায় নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। রেজিস্ট্রার খাতায় কে, কোথায় যাচ্ছে লিখে রাখবে পুলিশ। নবান্নের প্রত্যেকটি অফিসের সামনে পুলিশ প্রহরা বসানো হবে। সিসিটিভিতে নজরদারি চালানো হবে। সম্প্রতি সরকারি কর্মীদের হাজিরা সুনিশ্চিত করতে নবান্নের সব ফ্লোরে ফেস রেকগনিশন ক্যামেরা বসেছে। তাতে কর্মীদের হাজিরা সুনিশ্চিত হয়েছে। এবার তার সঙ্গে যোগ হচ্ছে চিপ কার্ড। যাতে সবটা সামনে আসে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *