- কাজ দিল না রামমন্দির!
- গত দুইবারের চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন মোদী!
- মমতা ম্যাজিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বাজিমাত!
- মোদীর ৪৫ ঘণ্টার ধ্যানও রক্ষা করতে পারল না বিজেপিকে!
- ভোটের ফলের দিন আদানির সম্পদে ধস, কমেছে ১৯.১ বিলিয়ন ডলার!
লণ্ডন, ০৫ জুন: নানা রকম প্রতিশ্রুতি, আশ্বাস, ধর্মকে ব্যবহার কিছুই যেন কাজে এলো না। ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি। ৪০০ আসনে জয়ের যে লক্ষ্য ছিল তার ধারে কাছেও ঘেষতে পারেনি ভারতের এই শক্তিশালী দল। এমনকি বিজেপি এককভাবে ৩০০ আসনও পার করতে পারেনি। মঙ্গলবার (৪ জুন) মধ্যরাতে দেশটির নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, ৫৪২টি আসনের মধ্যে ২৪০টিতে জয় পেয়েছে নরেন্দ্র মোদীর ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। আর ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে প্রধান বিরোধীদল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) সাতটি ও শিবসেনা (এসএইচএস) সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। পাঁচটি আসন পেয়েছে লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস)। চারটি করে আসনে জয় পেয়েছে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট)- সিপিআই (এম), ওয়াইএসআরসিপি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)। আম আদমি পার্টি, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) তিনটি করে আসন পেয়েছে। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট–লেনিনিস্ট) (লিবারেশন)–সিপিআই (এমএল) (এল), জনতা দল-জেডি (এস), জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স (জেকেএন), রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরএলডি), জনসেনা পার্টি (জেএনপি) ও ভিসিকে দুটি করে আসনে জয় পেয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি দল একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাতজন।
রামমন্দির নির্মাণ, ৩৭০ ধারা বিলুপ্তি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছিল বিজেপি। ‘এক দেশ এক ভোট’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের অঙ্গীকার ছিল তাদের, ছিল ৪০০ আসন পার করার স্লোগান। কিন্তু লোকসভার ফলাফল জানিয়ে দিলো এই প্রথম বার সহযোগীদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করেই সরকার গঠন করতে হবে বিজেপিকে। মাত্র সাড়ে ১১ মাস আগে গড়া বিরোধী জোট ‘পদ্মে’র নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথ আটকে দিলো।
ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স এনডিএ জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৬টি। অপর দিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের মোট আসনসংখ্যা হয়েছে ২০২টি। বিরোধী দলনেতার পদের জন্য লোকসভায় ৫৫টি আসনে জেতা প্রয়োজন। কিন্তু ২০১৪ সালে ৪৪টি এবং ২০১৯ সালে ৫২টি আসনে জেতা কংগ্রেস সংসদীয় বিধি অনুযায়ী সেই মর্যাদা পায়নি। এবার সেই মর্যাদা পেতে চলেছে মল্লিকার্জুন খড়গে এবং রাহুল গান্ধীর দল। ২০১৯ সালের নির্বাচনে মাত্র ৯৪টি আসনে জিতেছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট। আর কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৫২টি আসন। অর্থাৎ এবারের নির্বাচনে বিস্ময়কর উন্নতি হয়েছে ভারতের প্রাচীনতম এই রাজনৈতিক দলটির। সে বছরের নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে ৩০৩ আসনে জয় পেয়েছিল। আর বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ ৩৫২ আসনে জয় পায়। সে সময় বিজেপির পক্ষে কাজ করেছিল মোদী ম্যাজিক এবং জাতীয়তাবাদী হাওয়া। কিন্তু এবার তার কোনো কিছুই কাজে আসেনি। এবার নির্বাচনে বিজেপি সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি। সে কারণে এনডিএ জোট শরিকদের ওপরই নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে। এনডিএ জোটের অন্যতম দুইটি দল হলো চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপি ও নিতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড। বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় যে ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ করতে পারে তারা। ২০১৪ সালের পর প্রথম এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলো। লোকসভার মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৭২ আসন। সে ক্ষেত্রে বিজেপি তার জোটসঙ্গীদের নিয়ে সরকার গঠন করতে পারবে। তবে জোটসঙ্গীদের মধ্যে বেশি আসন পাওয়া দলগুলো বিরোধী শিবিরে গেলে চিত্র ভিন্ন হতে পারে।
বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছিলেন মোদী। প্রতিটি প্রচারসভা থেকে নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন তিনি। কিন্তু তারপরেও তিন বৃহত্তম রাজ্য (জনসংখ্যার হিসাবে) উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং পশ্চিমবঙ্গে পরাস্ত হয়েছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি-কংগ্রেসের জোট, মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস-শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে)-এনসিপি (শরদ পাওয়ার) মোদীর দলকে পেছনে ফেলেছে। আর পশ্চিমবঙ্গে সেই ‘দায়িত্ব’ একাই পালন করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। মাত্র এক বছর আগে গড়ে ওঠা কংগ্রেস, তৃণমূল, বামসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তির যৌথমঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’র (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স) ফল যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। আসন সমঝোতার পরিসর বাড়লে এবং তা মসৃণ হলে বিহার, দিল্লি এমনকি, মহারাষ্ট্রেও ‘ইন্ডিয়া’র ফল আরো ভালো হতো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের অনেকেই।
কাজ দিল না রামমন্দির!
রামমন্দির নির্মাণ, ৩৭০ ধারা বিলুপ্তি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবি ছিল। ‘এক দেশ এক ভোট’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের অঙ্গীকার ছিল। ছিল ‘৪০০ পার’ স্লোগান কার্যকরের লক্ষ্য। কিন্তু অষ্টাদশ লোকসভার ফল জানিয়ে দিল, এই প্রথম বার সহযোগীদের সমর্থনের উপর নির্ভর করে সরকার গড়তে হবে বিজেপিকে। মাত্র সাড়ে ১১ মাস আগে গড়া বিরোধী জোট (যাকে প্রচারপর্বের আগাগোড়া কটাক্ষ করে এসেছেন মোদী-সহ বিজেপি নেতারা) আটকে দিল ‘পদ্মে’র নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথ।
ভোটের ফলপ্রকাশের পর মঙ্গলের সন্ধ্যায় ‘জয় জগন্নাথ’ দিয়ে মঙ্গলবার বক্তৃতা শুরু করলেন নরেন্দ্র মোদী। মোদীর ৩৪ মিনিটের বক্তৃতায় এক বারও ‘জয় শ্রীরাম’ শোনা গেল না। রামমন্দিরের কথা বললেন যদিও। বিজেপি নয়, জোর দিলেন এনডিএ নামক জোটের উপর। তাঁর ভাষণে বার বার শোনা গেল এনডিএ-র কথা।
গত দুইবারের চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন মোদী!
টানা তৃতীয়বারের মতো উত্তর প্রদেশের বারণসি থেকে লোকসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, মোদী বারাণসিতে ৬ লাখ ১২ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অজয় রায় (কংগ্রেস) পেয়েছেন ৪ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৭ ভোট। অর্থাৎ মোদী মাত্র ১ লাখ ৫২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। মোদী বারণসির এই আসনে মোট ভোটের ৫৪ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অজয় রায় পেয়েছেন ৪০ দশমিক ৭৪ শতাংশ ভোট।
নরেন্দ্র মোদী টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেলেও ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় তার ভোটের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী দলের সালিনী জাদবকে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫০৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। সেবার মোদী ভোট পেয়েছিলেন ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৬৪টি। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সালিনী পেয়েছিলেন মাত্র ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৫৯ ভোট। ২০১৯ সালে মোদী মোট ভোটের ৬৩ দশমিক ৬২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। সেখানে এ বছর এটি ৫৪ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অপরদিকে ২০১৪ সালে মোদী পেয়েছিলেন ৫ লাখ ৮১ হাজার ২২ ভোট। যা মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ ছিল। সেবার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পেয়েছিলেন ২ লাখ ৯ হাজার ২৩৮টি ভোট। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মোদী কেজরিওয়ালকে হারিয়েছিলেন প্রায় ৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে।
মমতা ম্যাজিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বাজিমাত!
বুথ ফেরত ফলাফল পুরো উল্টে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বাজিমাত করেছে মমতা ব্যানার্জি আর অভিষেক ব্যানার্জির দল তৃণমূল। ফলে দেড় যুগের বেশি সময় পশ্চিমবঙ্গকে কৌশলগতভাবে কব্জাগত করার বিজেপির চেষ্টা এবারও ব্যর্থ হয়েছে। গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে যতো নির্বাচন হয়েছে প্রত্যেকটিতেই ভূমিধস জয়ের ঘোষণা দিয়েছিল বিজেপি। তবে ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে একের পর এক প্রার্থীর হেরে যাওয়ায় লক্ষ্যের ধারে কাছেও যেতে পারেনি মোদীর দল। এবারের নির্বাচনেও তেমনটাই ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি আসন লাভ করেছে।
মোদীর ৪৫ ঘণ্টার ধ্যানও রক্ষা করতে পারল না বিজেপিকে!
হিন্দিবলয়ে দাপট থাকলেও বিগত লোকসভা নির্বাচনগুলিতে দক্ষিণ ভারতে তেমন ‘প্রভাব’ ফেলতে পারেনি বিজেপি। তাই এ বারের নির্বাচনে দক্ষিণ ভারতে আসনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে কোনও খামতি রাখতে চায়নি পদ্মশিবির। শেষ পর্যন্ত তা হল না। সপ্তম তথা শেষ দফার ভোটের প্রচার শেষ করেই সোজা তামিলনাড়ুর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ শিলা, ‘ধ্যানমণ্ডপম’-এ যোগমগ্ন হন। ধ্যান করেন টানা ৪৫ ঘণ্টা ধরে। তবে তাঁর সেই ধ্যানও তামিলভূমে রক্ষা করতে পারল না বিজেপিকে। তামিলনাড়ু রইল পদ্ম-শূন্যই। এনডিএ জোট মাত্র একটি আসন পেয়েছে। অর্থাৎ, ভোটের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে, ভোটপ্রচারের সময় তামিল আবেগ উস্কে দিয়েও লাভ হয়নি মোদী-অমিত শাহদের।
ভোটের ফলের দিন আদানির সম্পদে ধস, কমেছে ১৯.১ বিলিয়ন ডলার!
লোকসভা নির্বাচনের বুথফেরত জরিপ প্রকাশের পর মুকেশ আম্বানিকে পেছনে এশিয়ার শীর্ষ ধনীর আসনে বসেন ভারতের গৌতম আদানি। তবে মঙ্গলবার (৪ জুন) বুথফেরত জরিপের আভাসকে উড়িয়ে দিয়ে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করে ইন্ডিয়া জোট। এতেই ধসের মুখে পড়েছে আদানি গ্রুপের শেয়ার। একদিনে আদানির সম্পদ কমেছে ১৯.১ বিলিয়ন ডলার। শতকরা হিসেবে তার সম্পদ কমেছে ১৯.৩৪ শতাংশ। বর্তমান আদানির সম্পদের পরিমাণ ৭৯.৫ বিলিয়ন। ফোর্বসের রিয়েল টাইম বিলিয়নিয়ারের তথ্যে এ চিত্র দেখা গেছে।
ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার নির্বাচনের ফলাফলের আভাসের সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার বাজারে পতন শুরু হয়। এরমধ্যে বোম্বে স্টোক এক্সচেঞ্জে বড় ধস নামে শেয়ারের। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা চরম অনিশ্চয়তা এবং উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ‘শেয়ার বাজারে সকাল থেকে ধস নেমেছিল। ফল প্রকাশের দিন সকাল থেকেই সব বড় বড় সংস্থার শেয়ারে পতন হয়। একটা সময়ে প্রায় ৫ হাজার পয়েন্ট নেমে গিয়েছিল। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। তবে ফের পড়ে যায় শেয়ারের দাম। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্লুমবার্গের গতকালের বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, গৌতম আদানির সম্পদমূল্য ১১১ বিলিয়ন বা ১১ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মুকেশ আম্বানির সম্পদমূল্য ছিল ১০৯ বিলিয়ন বা ১০ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।

