চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা সাইটে কাজ করার সময় মারা যাওয়া শ্রমিক খলিল মোল্লার স্ত্রী হামিদা বেগমকে ব্রিটিশ কোম্পানি মারানের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে লন্ডন হাইকোর্ট। ২০১৮ সালে মারা গিয়েছিলেন খলিল।
রয়টার্স জানিয়েছে, গত বছর এপ্রিলে হামিদার পক্ষে ব্রিটেনের কয়েকজন আইনজীবী মামলাটি আদালতে তোলেন। অভিযোগে খলিলের মৃত্যুর জন্য মারান লিমিটেডের অবহেলাকে দায়ী করা হয়।
মারানের পক্ষ থেকে চলতি বছরের শুরুতে মামলাটি আমলে না নিতে আদালতে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনও ইতোমধ্যে নাকচ করা হয়েছে।
বিচারক তার রুলে বলেছেন, শ্রমিকদের যত্ন নেয়ার দায়িত্ব ছিল মারান (ইউকে) লিমিটেডের।
খলিল যে জাহাজ ভাঙতে গিয়ে মারা গেছেন তার আগে নাম ছিল মারান সেঞ্চুরাস। ২০১৭ সালে ১৬ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে দেয়া হয়। এর পর এটি ভাঙার জন্য নিয়ে আসা হয় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলে। নাম দেয়া হয় একতা।
উচ্চ আদালতের রায়ের পর এখন মারানের বিরুদ্ধে সরাসরি অবহেলার দায়ে মামলা করতে আর কোনও বাঁধা থাকল না। সেই মামলায় জয়ী হলে হামিদা বেগম সর্বোচ্চ এক লাখ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।

