১৭১টি কেসের সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে এই ফলাফল পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। যার মধ্যে ৮ বারের মিউটেশন বিশ্বে প্রথম ঘটেছে।
নতুন মিউটেশনের তথ্যগুলো বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ ।
তারা জানান, এখন পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে ২২২টি। এরমধ্যে বিসিএসআইআর করেছে ১৭৩টির।
করোনা ভাইরাসের সর্বমোট ৩০০টি জিনোম সিকোয়েন্স করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান বিসিএসআইআর।
প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানীরা জানান, ভাইরাসটি প্রোটিন লেভেলে ২৭৩ বার মিউটেশন করেছে এবং ৩৮টি স্পাইক পরিবর্তন করেছে।
বাংলাদেশে সংক্রমণের প্রধান কারণ D614G করোনা ভাইরাস বলেও শনাক্ত করেছে। ভাইরাসটি মানুষের শরীরের উপকারি ব্যাকটেরিয়া নিষ্ক্রিয় করে দেয় বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

