শিরোনাম
শনি. জানু ৩১, ২০২৬

হাসপাতালে ভর্তির বিলম্বের কারণে পশ্চিমবঙ্গে ৭০%‌ কোভিড–১৯ সংক্রান্ত মৃত্যু:‌ রাজ্য সরকার

হাসপাতালে ভর্তিতে দেরি তাই মৃত্যু বাড়ছে

রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা বলেন, ‘‌আমরা প্রতিদিন কোভিড-১৯-এ হওয়া প্রত্যেকটি মৃত্যুকে খতিয়ে দেখেছি। তাতে দেখা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হওয়ার কারণ হল হাসপাতালে ভর্তি হতে দেরি হচ্ছে রোগীর।’‌ প্রসঙ্গত, গত বেশ কিছু মাস ধরে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগী ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ আসছিল। বেডের অভাব সহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, আর জন্য কিছু রোগীর মৃত্যুও হয়েছে।

হাসপাতালে বেড ফাঁকা ৬০ শতাংশ

যদিও রাজীব সিনহা জানিয়েছেন যে হাসপাতালে বেডের কোনও অভাব নেই। বর্তমানে ১১,৫৬০টি বেড রয়েছে ৮৩টি কোভিড-১৯ হাসপাতালে, যার মধ্যে ৬০ শতাংশ বেড এখনও ফাঁকা। মোট ২৩,৫০০টি বেড উপলব্ধ রয়েছে হাসপাতাল ও নিরাপদ কোভিড কেন্দ্রগুলিতে। তিনি বলেন, ‘‌হাসপাতালে বিশেষ বিভাগ করার দাবি করা হয়েছে যা মহামারির পরিস্থিতিতে সম্ভবপর নয়। আমরা যা গ্যারান্টি দিতে পারি তা হল এক ধরণের হাসপাতাল যেখানে রোগীদের সেরা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরবরাহ করা হবে।’‌

মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে ২.‌২ শতাংশ

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যুর হার ২.‌২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। জাতীয় সিএফআর যেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে ২.‌৭ শতাংশ। বর্তমানে রাজ্যে ১,১৪৪ জন রোগী সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছে এবং মাঝারি ও মৃদু উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীর সংখ্যা ১,০৪৩ ও ১,৯৪৬। মুখ্য সচিব বলেন, ‘‌এর অর্থ ১০০ জন কোভিড-১৯ রোগীর মধ্যে মাত্র ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এর মধ্যে ৮৭ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে অন্য রোগে ভুগে।’‌

রাজ্যে একদিনে মৃত্যু ৬১ জনের

বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১,৮৪৬ জনের, যার মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ৬১। বৃহস্পতিবার রাজ্যে করোনার সোয়াব টেস্টের সংখ্যা ২৫ হাজার পেরিয়েছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ টেস্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মৃত্যু শ্যামল চক্রবর্তীর

বৃহস্পতিবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বরিষ্ঠ সিপিআই (‌এম)‌ নেতা শ্যামল চক্রবর্তী। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *