করোনা যোদ্ধাদের জন্য আগেই চিকিত্সা ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। পরে স্বাস্থ্য বীমাতেও যোগ হয় রাজ্যের সরকারি কর্মীদের নাম। এবার করোনা যুদ্ধে মারা গেলে রাজ্যের মৃত সরকারি কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এদিন রাজ্যের অর্থ দফতরের তরফে নির্দেশিকায় সিলমোহর দেয়।
অর্থ দফতরের অতিরিক্ত প্রধান সচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীর স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করেই জানানো হয়েছে, করোনা যুদ্ধে মৃত সরকারি কর্মীর বাড়ির লোককে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী মূলত গ্রুপ সি কিংবা গ্রুপ ডি-তে কর্মসংস্থান দেওয়া হবে। তবে যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্য অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে এর চেয়ে উচ্চপদেও দেওয়া যেতে পারে। তবে সবটাই নির্ভর করছে পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর।
তবে মৃত কর্মীর সন্তান, স্ত্রী কিংবা বাড়ির কোনও সদস্য, যিনি ওই কর্মীর উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল, তিনি চাকরি পাবেন। গত ১ এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হয়ে গিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে। ফলে গত কয়েকমাসে যে বা যতজন সরকারি কর্মী করোনা লড়াই করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা চাকরি পাবেন।
পাশাপাশি, এরপর থেকে মারা যাওয়ার পরে এই আবেদন করলে এক-দেড় মাসের মধ্যেই এই চাকরি পাওয়া যাবে বলেই জানা গিয়েছে। সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, মারা যাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পরিবারের লোকেদের সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করতে হবে। তারপর ওই দফতরের প্ৰয়োজন অনুসারে ওই কর্মীর বাড়ির সদস্যের চাকরি হবে।

