শিরোনাম
শুক্র. জানু ৩০, ২০২৬

মেদ ভুঁড়ি। মেদ বা চর্বি নিয়ে বর্তমানে প্রায় সবাই চিন্তিত। সুন্দর ও মেদহীন শরীর কে না চায়? কিস্তু তেল-চর্বিসহ খাবার খেয়ে ওজন দিন দিন বাড়ছেই। মেদ কমাতে অনেকেই ডায়েট-জিম করেন। তারপরও মেদ কমাতে পারেন না। এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে মেদ কমবে, একই সঙ্গে শরীরও থাকবে সুস্থ ও সুন্দর! কিন্তু আপনি জানেন কি? মেদ কমানোর দাওয়া আপনার হাতের কাছেই রয়েছে। জিরা ইংরেজিতে যা কিউমিন নামে পরিচিত। আমাদের দেশ ও অন্যান্য দেশেও মসলা হিসেবে রান্নার কাজে ব্যবহার হয়। এই মসলায় ওজন কমানোর অবিশ্বাস্য শক্তি রয়েছে। মেদ কমানো ছাড়াও জিরার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুন। এটি শরীরে খারাপ কলেস্টেরল কমায়, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমায়, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, এনামিয়া রোধ করে গ্যাসের সমস্যা থেকে রক্ষা করে। জিরা ভিজানো পানি খেলে ঝটপট কমবে মেদ। সারবে কঠিন রোগ।

জেনে নিন জিরার পুষ্টিগুন-

জিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজম রেটি বাড়িয়ে দেয়।

১. ডায়োটের তালিকায় রাখুন জিরা পানি

প্রতিদিন ডায়োটের তালিকায় রাখুন জিরা ভিজানো পানি। রাতে জিরা ভিজিয়ে রাখুন। সাকালে খেয়ে নিন। এতে ত্বক ভালো থাকবে।

২ লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় জিরা

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জিরা পানি খেলে শরীরে ডায়াজেস্টিভ এনজাইমের উৎপাদন বাড়ে। সেই সঙ্গে লিভারে উপস্তিত ক্ষতিকর টক্সিট উপাদানেরা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

৩. ফুসফুসের কার্যক্ষতা বাড়ায় জিরা

জিরায় উপস্থিত বেশ কিছু উপকারী উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে নানাবিধ ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৪. হজম শক্তি বাড়ায় জিরা

জেরা ভিজানো পানি বা জিরা পানি খেলে হজম শক্তি বাড়ায় কয়েকগুন। এভাবে কয়েকদিন খেলে কমে যাবে অগ্নাশয়ের আগুন। ফলে খাবার এত সুন্দরভাবে হজম হতে শুরু করে যে ওজন বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৫. গ্যাসের সমস্যা দূর করে জিরা

জিরা খাবার হজম প্রক্রিয়ায কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার সঠিক ভাবে হজম না হলে পেটে গ্যাসের প্রবণতা বাড়ে। জিরা পাকস্থলিতে গ্যাস জমতে বাধা দেয়। খাবার দ্রুত হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্যের মাধ্যমে এটি কাজ করে।

৬.হ্যাট অ্যাটাক থেকে রক্ষা করে জিরা

জিরা শরীরে খারাপ চর্বি ও কলেস্টেরল তৈরিতে বাধা দেয়। এভাবে জিরা শরীরের মেদ কমায় ও হার্টঅ্যাটাক ও স্ট্রোকর ঝুঁকি কমায়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *