সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ২, ২৫, ১৩৭
রবিবারের হেলথ বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১৭৭ জন। ফলে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ২, ২৫, ১৩৭ জন। সংক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ২৪, ৮০৬ জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১,৯৫,৯৭২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ২, ৯৫৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। এর মধ্যে সব থেকে বেশি মুক্তি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনায়(৪৬৮)। এরপরেই রয়েছে কলকাতা(৪৩৫) এবং তারপরেই রয়েছে হুগলি ( ১৯২)।
সংক্রমের শীর্ষে কলকাতা, তারপর উত্তর ২৪ পরগনা
এদিন সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে কলকাতায়। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এদিন কলকাতায় ৫১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় আলিপুরদুয়ারে ৮৮, কোচবিহারে ৮৬, দার্জিলিং ৯৯, কালিম্পং ২৪, জলপাইগুড়িতে ৯৮, উত্তর দিনাজপুরে ৫০, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৪৪, মালদহে ৯১, মুর্শিদাবাদে ১০১, নদিয়ায় ১০২, বীরভূম ৬৯, পুরুলিয়া ৭৭, বাঁকুড়ায় ৮৭, ঝাড়গ্রাম ২৭, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫৩, পূর্ব মেদিনীপুরে ১২১, পূর্ব বর্ধমানে ৯৮, পশ্চিম বর্ধমানে ১৩৪, হাওড়া ২১৮, হুগলিতে ১৭০, উত্তর ২৪ পরগনায় ৫০৭, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২২৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
বেড়েছে সুস্থতার হার
অন্যদিনের তুলনায় রবিবার আরও বেড়েছে সুস্থতার হার। শনিবার সুস্থতার হার ছিল ৮৬.৯৬%। আর রবিবার তা বেড়ে হয়েছে ৮৭.০৫%।
মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের
গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। শনিবার মৃত্যু হয়েছিল ৫৬ জনের। মৃতের সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৫৯-তে।
কলকাতায় মৃত্যু ১৫৮১ জনের
এদিন যে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্য জুড়ে, তাঁদের মধ্যে ১৫ জন কলকাতার। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫৮১ জনের। মৃত্যুর সংখ্যার নিরিখে কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৯৮১ জনের। এদিন সেখানে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপরেই রয়েছে হাওড়া, সেখানে ৪৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারপর রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে ২৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যথাক্রমে ৬ ও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

