ডিজিটাল ডেস্ক: পরপর ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল অসম। সোমবার রাত ১.২৮ নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় গুয়াহাটিতে। ঠিক ওই সময়ই কেঁপে ওঠে গুয়াহাটি থেকে ৯৫ কিমি দূরে বরপেটার মাটি। একইসময়ে কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেখানকার বাসিন্দারা। রিখটার স্কেলে গুয়াহাটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৪। অন্যদিকে বরপেটার কম্পনের মাত্রা ৪.২ ছিল বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। এদিনের ভূমিকম্পের জেরে বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়লেও, প্রাণহানির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। অসমের পাশাপাশি কেঁপে ওঠে মহারাষ্ট্রের পালঘর। সোমবার রাত ২টো ৫০ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় সেখানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের ১০৪ কিমি উত্তরে কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উত্সস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে মৃদুকম্পনের ফলে সেভাবে কেউ টের পাননি। তাছাড়া বহু মানুষই সেই সময় ঘুমিয়ে ছিলেন, ফলে অনেকেই ভূ-কম্পন টের পাননি। যদিও এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও ক্ষয় ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
গত কয়েক মাস ধরেই দেশের নানা প্রান্তে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কিছুদিন আগেই হিন্দুকুশ পার্বত্য এলাকায় ভুমিকম্প হয়। যার প্রভাব পড়ে দিল্লি, পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশ। কয়েকদিন আগে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার কৃষ্ণনগরেও অল্প দিনের ব্যবধানে দুই দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। অগস্টের শেষের দিকে অরুণাচল প্রদেশের অনজো এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়।
জুন থেকে জুলাইয়ে ১৮ দিনে মোট ১৪টি ভূমিকম্প হয়েছিল অসমে। শনিবারেও অসমে ভূমিকম্প হয়েছিল বনগাইগাঁওতে। যার মাত্রা ছিল ৩.৮। পয়লা মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ন্যাশনাল সিসমোলজিক্যাল নেটওয়ার্কে ৪১৩ টি ভূমিকম্প নথিভুক্ত হয়েছে। মিনিস্ট্রি অফ আর্থ সায়েন্সের তরফে রাজ্যসভায় এমনটাই জানানো হয়েছে।এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে অসমে ৫.১ কম্পনমাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। সেক্ষেত্রে কম্পনের উৎস ছিল বঙাইগাঁও জেলা। ১৬ জুলাই অসমে হওয়া ভূমিকম্পের কম্পনমাত্রা ছিল ৪.১। উৎস ছিল করিমগঞ্জ জেলা। ২৭ অগস্ট তেজপুরে কেন্দ্র করে হওয়া ভূমিকম্পের মাত্র ছিল ৩.৫। সূত্র: এই সময়

