শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ১৫, ২০২৬

ত্রিপুরায় নিয়ন্ত্রণহীন বাজার, নির্বিচারে ক্রেতাদের গলা কাটছে ব্যবসায়ীরা, প্রশাসন নির্বিকার

আগরতলা: নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম রকেট গতিতে বাড়ছে। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে বাজার। প্রতিটি বাজারে ক্রেতাদের পকেট কাটছে বিক্রেতারা। রাজ্য সরকারের মহকুমা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন ব্যবস্থা নেই। এককথায় নির্বিকার প্রশাসন। রাজধানী আগরতলা শহরের প্রধান প্রধান বাজারগুলিতে শাকসব্জির দাম ব্যবসায়ীর একেক দিন একেক রকম ভাবে স্থির করে ক্রেতাদের পকেট কাটছে। মহারাজগঞ্জ বাজার থেকে বেরিয়ে আশেপাশের যেকোন বাজারে গেলে প্রতিটি শাকসব্জির কেজি দরে নূ্যনতম দশ টাকা বেশীতে বিক্রি করছে ব্যপারীরা।

মর্জিমাফিক দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে বাজারে। যদিও একই শাকসব্জি এক জায়গা থেকে মূলতঃ পাইকারি দরে নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তারপর নিজেদের মতো করে শাকসব্জির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাজধানী আগরতলা শহরের বটতলা বাজার ও মহারাজগঞ্জ বাজার ছাড়া অন্য যেসব বাজার নিত্যদিন বসছে সেগুলিতে দামের রকমফের হচ্ছে। বিশেষ করে জেকশন গেইট সংলগ্ণ উজ্জ্বয়ন্ত মার্কেটে (অধুনা তুলসীবতী বাজার) যে শাকসব্জি মিলছে তার সাথে মহারাজগঞ্জ বাজারের দামের ক্ষেত্রে কমপক্ষে দশ টাকার হেরফের। উজ্জয়ন্ত মার্কেটে প্রতিটি পদের মূল্য দশ থেকে কুড়ি টাকা বেশীতে বিক্রি করা হয়। একই অবস্থা লেইক চৌমুহনী বাজার, চন্দ্রপুর বাজার। মঠচৌমুহনী বাজারের কথা বললে তো আঁতকে উঠতে হয়। জিবি বাজারেও একই অবস্থা।

প্রশ্ণ উঠেছে ক্রেতা সাধারণের তরফ থেকে বাজারের উপর কি তাহলে প্রশাসনের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। মহকুমা শাসকের কার্যালেয়ে বাজারে পণ্যসামগ্রীর মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা রয়েছে। কোথায় এই টিম। আজ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রশাসন ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায়। অবিলম্বে প্রশাসনের জড়তা কাটিয়ে ময়দানে নামতে হবে, এমনটাই দাবী ক্রেতা সাধারণের।

এদিকে, ক্রেতা সাধারণের আরও অভিযোগ শাক সব্জি ছাড়াও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী যেগুলি রসুই ঘরে অত্যাবশ্যক- মশুর ডাল, সরিষার তেল এর মূল্য নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। যদিও কিছুদিন পূর্বে সরিষার তেলের মূল্য নিয়ে মতভেদ দেখা দেওয়ায় প্রশাসনের তরফ থেকে বাজারগুলিতে নজরদারী চালানো হয়েছিল। কিন্তু, সেই নজরদারী ও অভিযান বন্ধ হয়ে আছে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্রেতা সাধারণের পকেট কাটছে ব্যবসায়ীরা।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *