শিরোনাম
বৃহঃ. এপ্রি ৩০, ২০২৬

বিহারে সীমান্তের কাছে হেলিপ্যাড বানাচ্ছে নেপাল

ভারত-নেপাল সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত। এরই মধ্যে ভারত সীমান্ত সংলগ্ন জমিতে হেলিপ্যাড বানাচ্ছে নেপাল। বিহারের পশ্চিম চম্পারান জেলার পাশাপাশি ইন্দো-নেপাল সীমান্তের কাছে অবস্থিত এক স্থানে হেলিপ্যাড নির্মাণের কাজ শুরু করে দিয়েছে নেপাল সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য দেয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নেপালের প্রস্তাবিত ওই হেলিপ্যাডটি জেলা সদর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে। বিহারের পশ্চিম চম্পারান জেলার বাল্মিকি টাইগার রিজার্ভের (ভিটিআর) কাছে সশস্ত্র সীমাবলের (এসএসবি) থারি সীমান্তের ফাঁড়ি থেকে কিছুটা দূরে নরসাহি গ্রামে গড়ে তোলা হচ্ছে।

এই বিষয়ে নেপালের সশস্ত্র সীমাবলের ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্ট রাজেন্দ্র ভরদ্বাজ বলেন, ইন্দো-নেপাল সীমান্তের নরসাহি গ্রামে একটি হেলিপ্যাড তৈরির কাজ চলছে। যাবতীয় কাজকর্মও শুরু করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি সদর দপ্তরকেও জানানো হয়েছে।

এদিকে, ভারত-নেপালের উত্তেজনার মধ্যে সে দেশের সরকারি কর্মকর্তারা পশ্চিম চম্পরান জেলার পাশাপাশি ইন্দো নেপাল সীমান্তে নরসাহি জেলা নিয়ে গন্ডক নদীর পরিবর্তিত পথকে দায়ি করেছেন। গন্ডক নদীর কেন্দ্রটি নেপাল এবং ভারতের মধ্যে সীমানাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ১৯৭০ এর দশকের মধ্যে নদীটির গতিপথটি পরিবর্তনের সাথে সাথে নরসাহি নদীর বিপরীত প্রান্তে চলে এসেছিল এবং পরে সেখানে বসবাসরত ভারতীয় বাসিন্দারা ভারতীয় ভূখণ্ডের এই অংশে চলে এসেছিলেন।

নেপালে নদীটি সপ্ত, গন্ডাকীচ এবং নারায়ণি নামে পরিচিত। এটি নেপালের নুবাইন হিমল হিমবাহের মধ্যে উদ্ভূত এবং বিহারের বাল্মিকি টাইগার রিজার্ভের কাছে ভারতে আসার আগে হিমালয়জুড়ে প্রবাহিত হয়েছিল। পাটনার কাছাকাছি গঙ্গা পূর্ণ করতে গন্ডক নদী আরও ৩০০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়। করোনা আবহে সম্প্রতি নেপাল পার্লামেন্ট উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ, কালাপাণি এবং লিম্পিয়াধুরার মূল অঞ্চলগুলোর জন্য তাদের আঞ্চলিক কমান্ড দাবি করে একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্রের অনুমতি দেয় ১৩ জুন। এছাড়াও নানা উত্তেজনার মধ্যোও এসএসবি স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ভারত-নেপাল সীমান্তে টহলদাড়ি জোরদার শুরু করেছে। সূত্র: কলকাতা২৪

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *