রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থার সেবাপ্রাপ্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ অন্তহীন। এ ক্ষেত্রে এতদিন বিত্তবানরা ছিলেন ব্যতিক্রম। টাকার জোরে বরং বাড়তি সেবা বাগিয়ে নেওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে অনেক উচ্চবিত্তের বিরুদ্ধে। কিন্তু করোনা মহামারীর এ দুর্যোগকালে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, সমাজের প্রায় সব শ্রেণিই এখন সরকারি বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দুর্যোগকালে মানুষের প্রাত্যহিক সেবাগুলোর মান বাড়াতে হয়। অথচ বাংলাদেশের চিত্রটি উল্টো, আগের চেয়েও নাজুক দশা। ক্ষেত্রবিশেষে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্বাস্থ্য খাতের করুণ চিত্র উঠে আসছে রোজ গণমাধ্যমের খবরে।
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহক নাকাল। ওয়াসার অনেক স্থানেই পানি মুখে তুলতে পারছে না রাজধানীবাসী। ঠিকমতো মেলে না গ্যাস, চুলা জ্বলে মিটমিটিয়ে। সর্বশেষ জীবনের অনস্বীকার্য অনুষঙ্গ মোবাইল ফোনে কথা বলতেও গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। সার্বিক পরিস্থিতি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেবা সংস্থাকে।
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস আঘাত হানার পর চিকিৎসাসেবা খাতের অবস্থা দেখে আস্থা হারিয়েছে মানুষ। মানুষ একেবারে শেষ মুহূর্তে জীবন বাঁচাতে হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। কোনো কোনো হাসপাতালে তো ন্যূনতম সেবাও পাওয়া যাচ্ছে না। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরে কোথাও ভর্তি হতে না পেরে সড়কেই প্রাণ হারাচ্ছে রোগী। অন্য সেবাখাতগুলোও বেঁকে বসেছে। বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সরবরাহ, ল্যান্ড ও মোবাইল ফোন সার্ভিস, ইন্টারনেটের গতিÑ সব কিছুতেই এখন অগতি। এ নিয়ে জনমনে অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে।
অভিযোগ আছে, সেবা খাত দিনের পর দিন সেবা না দিয়ে দানবীয় বাণিজ্যিক সংস্থায় পরিণত হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অযৌক্তিকভাবে নাগরিকদের সঙ্গে বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। ন্যূনতম সেবা না দিয়েও অনেক বেশি মাসুল আদায় করছে। ফলে এ দুর্যোগকালে সেবা খাতকে নানা অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে।
করোনায় অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মানুষের রোজগার বন্ধ, অন্যদিকে অযৌক্তিক বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানযোগ্য পানি সরবরাহ না করেও ওয়াসার বিল, ব্যয়বহুল চিকিৎসাব্যবস্থা, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পাওয়া অথবা চিকিৎসার অনিশ্চয়তা মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। এমনকি কথার দামও বাড়িয়ে দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। মোবাইল ফোনে কথা বলার ওপর অতিরিক্ত ভ্যাট ট্যাক্সের কারণে মানুষ মন খুলে কথা বলতেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে জরুরি সেবা খাতের বাণিজ্যিক আচরণ মানুষের জীবনযাত্রাকে করে তুলেছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল। একদিকে রোজগার কমে যাওয়া আরেকদিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়তে থাকায় কঠিন সময় পার করছে সাধারণ মানুষ। বাধ্য হয়ে অনেকেই এখন শহর ছেড়ে গ্রামমুখী।
সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, তারা যতটুকু বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ততটুকু বিদ্যুৎ বিল তাদের পরিশোধ করতে অসুবিধা নেই। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে কয়েকগুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বিতরণ কোম্পানিগুলো চরম সংকটে ফেলেছে চার কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহকের এক বিরাট অংশকে। শহরে গ্রামে সব জায়গায় মানুষের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এসব বিদ্যুৎ বিলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সমাধান করে দেওয়া হবে বলা হলেও কার্যত অধিকাংশ মানুষ বিদ্যুৎ অফিসগুলোর দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দিতে বাধ্য হচ্ছেন। যদিও গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিতরণ কোম্পানিগুলোর এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের কারণে। ওই বৈঠকেই বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাত দিনের মধ্যে বেশি বিদ্যুৎ বিল তৈরির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার। এ ছাড়া যেসব গ্রাহক বেশি বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসগুলোতে যাবেন তাদের বিল এবং মিটার চেক করে প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং সমাধান করার।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আমাদের সময়কে বলেছেন, বিল নিয়ে যে অভিযোগ সেগুলো দ্রুত সমাধান করতে বলা হয়েছে। বেশি বিলের অভিযোগের বিষয়টি আমরা জানি। গ্রাহকদের অভিযোগ সমাধান করা হবে। একই সঙ্গে বেশি বিল তৈরির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তি পেতে হবে।
গত ১০ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সরবরাহের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। ফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎপ্রাপ্তি অতীতের তুলনায় বেড়েছে। তবে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দিচ্ছে। জনমনে সৃষ্টি হচ্ছে বিরূপ মনোভাবের। সর্বশেষ বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে সংসদে বিল উপস্থাপন করা হয়েছে আইন সংশোধন করার। যার বদৌলতে বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ বিল বাড়ানো যাবে। গত ১০ বছরে অন্তত ১০ বার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গ্রাহকদের মনে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেক মানুষ ঠিকমতো গ্যাসের সরবরাহ না পেলেও নিয়মিত বিল পরিশোধ করছেন।
ভোক্তা অধিকার সংগঠনের (ক্যাব) উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম আমাদের সময়কে বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে আমরা অনেকবার যুক্তি দিয়ে তুলে ধরেছি যে, বছরে বছরে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি অযৌক্তিক। এ খাতে দুর্নীতি এবং অপচয় বন্ধ করতে পারলে সহনীয় মূল্যে জনগণকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ গত ৯ জুন আমরা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছি গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। কিন্তু আইনি বাধ্যবাধকতার কারণ দেখিয়ে বিইআরসি আমাদের চিঠি আমলে নেয়নি।
কথায় আছে পানির অপর নাম জীবন। বাস্তবতা হচ্ছে, সরকারি সংস্থা ওয়াসা ঠিকমতো মানুষকে সুপেয় পানি সরবরাহ করতে পারছে না। ঢাকা ওয়াসার বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। অসংখ্যবার আলোচনায় এসেছে ওয়াসার ময়লা এবং দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরবরাহের দিকটি। মানুষ ওয়াসার সরবরাহকৃত পানি পান করতে পারছে না। ওয়াসার পানি অন্য বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করলেও খাওয়ার পানির জন্য নানা বিকল্প উপায় খুঁজে নিয়েছে। তবু বছর বছর ওয়াসা মানুষের পানির দাম বাড়িয়ে চলছে। তবে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে একই ব্যক্তির ওয়াসার দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী তাকসিম এ খান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে গণামধ্যমে বলেছেন ওয়াসা পানি সরবরাহে সফল এবং ওয়াসার পানি পানযোগ্য।
সর্বশেষ গত জানুয়ারি থেকে ওয়াসার পানির দাম বাড়ানো হয়েছে। আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার লিটার পানির দাম ছিল ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। সেটি বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৪ টাকা ৫৭ পয়সা। ওয়াসার এ পানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে আদালত পর্যন্ত যেতে হয়েছে। ওয়াসার গ্রাহকদের পানির অতিরিক্ত বিল দেওয়ার বিষয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।
ওয়াসা সূত্রে জানা যায়, ওয়াসা পানির বিল আদায় বা রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিয়েছিল। বিল আদায়ের কাজ পায় ঢাকা ওয়াসা শ্রমিক কর্মচারী সমবায় সমিতি লিমিটেড। রাজস্ব আদায়ের ওপর তাদের ১০ শতাংশ পিপিআই বা কমিশন প্রদান করা হয়। পরে কমিশন বা রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য গ্রাহকদের মনগড়া বিল দেওয়া হয়। বিষয়টি ধরা পড়ার পর তাদের সঙ্গে ওয়াসা চুক্তি বাতিল করে। তবে এ করোনাকালেও গ্রাহকদের মনগড়া বিল দিয়েছে ওয়াসা। ঢাকায় অনেক এলাকার ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। কিন্তু ওয়াসা কর্তৃপক্ষ তা পরিষ্কারে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ নিয়ে নগরবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।
মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম একটি হলো চিকিৎসার সুবিধা নিশ্চিত করা। অনেক আগে থেকেই স্বাস্থ্য খাতের চরম বেহালদশা নিয়ে কথা উঠেছে। তবে এ করোনাকালে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্য খাতের রুগ্নদশা প্রকাশ্যে চলে আসে মানুষের চোখের সামনে। অনেক আগে থেকেই দেশের সামর্থ্যবান মানুষ বিদেশ বা প্রাইভেট হাসপাতাল বা বেসরকারি হাসপাতলে চিকিৎসা করান। কিন্তু সাধারণ মানুষের সরকারি হাসপাতাল ছাড়া কোনো উপায় নেই।
এ করোনাকালে সরকারি হাসপাতালগুলোর করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। চিকিৎসা নিয়ে চলছে চরম নৈরাজ্য ও অব্যবস্থাপনা। অক্সিজেন নেই, আইসিইউ নেই, প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই। সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থাও একরকম মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রতিদিনই হাসপাতাল থেকে রোগী ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এতে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে রোগীর প্রাণ যাচ্ছে। এ নিয়ে কোনো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে না। আর্থিক সামর্থ্যবান মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করালে প্রায় তাদের চিকিৎসা বিল নিয়ে অভিযোগ উঠছে। অযৌক্তিক চিকিৎসা ব্যয়ের বিল নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। করোনা পরীক্ষা নিয়েও চলছে নানা সংকট, অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন, বছরের পর বছর স্বাস্থ্য খাতকে অবহেলার কারণে এ পরিণতি হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য খাতে নজর দিয়ে সমস্যা সমাধান করলে মানুষ ভালো সেবা পেত। কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয় তার অধিকাংশ ব্যয় হয় অবকাঠামো উন্নয়ন করতে। ফলে চিকিৎসা উপকরণ সংকট। একই সঙ্গে অনিয়ম বা অপব্যবহারের কারণেও আজকের পরিণতি। তিনি আরও বলেন, যদি নিয়মিত গুরুত্ব দেওয়া হতো তা হলে এক সঙ্গে বিপুলসংখ্যক ডাক্তার এবং নার্স নিয়োগ দিতে হতো না। এগুলো রেগুলার প্রক্রিয়ার বিষয়।
এদিকে তুলনামূলক বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ইন্টারনেটের চার্জ বা বিল অনেক বেশি নিলেও কাক্সিক্ষত সেবা নেই। ফোনে অনেক বেশি ভ্যাট-ট্যাক্স যুক্ত করায় সাধারণ মানুষের ওপর সেটির চাপ পড়ছে। বাজেটে নতুন করে শুল্ক আরোপ করার আগেই মোবাইল অপারেটরগুলো বাড়তি বিল নেওয়া শুরু করেছে। এতে করোনা মহামারীকালে মানুষ আরও বিপদে পড়েছে। মোবাইল ফোনে কলড্রপের ঘটনা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি। কথা বলতে বলতেই কলড্রপ হয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা প্রত্যাশিত নয়।
রানা হোসেন নামের এক বায়িং হাউসের ম্যানেজার আমাদের সময়কে বলেন, অনেক সময় ইন্টারনেটের গতির কারণে বিদেশিদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ব্যাহত হয়। তিনি বলেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কুইক সেন্ট হয় না। তিনি বলেন, ইন্টারনেট একসেস আরও আধুনিকায়ন করা দরকার দেশের স্বার্থেই।
সিটি করপোরেশনের সেবা নিয়েও মানুষের রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। নিয়ম অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের সব মাসুল বা চার্জ নাগরিকরা দিলেও কাক্সিক্ষত সেবা পান না এমন অভিযোগ অনেক পুরনো। ঢাকার দুই সিটির কাজে ধীরগতি, সমন্বয়হীনতা ও যথাযথ পরিকল্পনার অভাবে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ মারা যায়। তবে সম্প্রতি ঢাকার দুই সিটিতে নির্বাচিত দুই মেয়র দায়িত্ব নেওয়ার পর নানা ক্ষেত্রে অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। তার সুফল নগরবাসী কতটুকু পাবেন, তা সময়ই ভালো বলতে পারবে।

