শিরোনাম
বুধ. জানু ১৪, ২০২৬

এত আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় যাচ্ছিল, বাংলাদেশ সীমান্ত গ্রামে চাপা আতঙ্ক

আগরতলা: বাংলাদেশ থেকে কমবেশি ১৫ কিলোমিটার দূরে মিজোরামের ফুলদংশাই গ্রাম থেকে বিপুল পরিমাপ আগ্নেয়াস্ত্রের চোরাচালান কোথায় যাচ্ছিল ? এখনো স্পষ্ট হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর পূর্ব ভারতে সর্বাধিক আগ্নেয়াস্ত্রের চোরাচালান বানচাল করেছে বিএসএফ ও মিজোরাম পুলিশ। সোমবার অভিযান সংঘটিত হয় মামিট জেলার ফুলদংশাই গ্রামের কাছে।

মিজোরামের এই এলাকা বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার কাছাকাছি। ফলে প্রশ্ন উঠছে ত্রিপুরার উপজাতি স্বশাসিত এলাকা (এডিসি) নির্বাচন রক্তাক্ত করার ছক করা হয়েছে ? ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী নেতা মানিক সরকার আগেই দাবি করেছেন, রাজ্যের সীমান্তে ও বাংলাদেশ লাগোয়া এলাকায় উপজাতি সশস্ত্র গোষ্ঠী এনএলএফটির তত্‍পরতা বেড়েছে।

বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ, লোকসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করছে বিজেপি। আসন্ন এডিসি নির্বাচনেও একই পথ নেবে তারা। তবে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক বলেই দাবি বিজেপির।

এদিকে মিজোরামের সীমান্ত গ্রামে বিপুল আগ্মেয়াস্ত্র চালান হওয়ার তদন্ত চলছে। ফুলদংশাই গ্রামে ধৃত তিনজন যে গাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করছিল তার গঠন দেখে চমকে গিয়েছেন বিএসএফ ও পুলিশের কর্তারা। পাচারের জন্য ওই গাড়িতে বিশেষ খাঁজ কেটে ২৮টি এ কে সিরিজের রাইফেল, একটি AK-74 রাইফেল, একটি কার্বাইন ও ৭ হাজারের বেশি কার্তুজ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

এত বড় আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালান উদ্ধার সাম্প্রতিক সময়ে সর্বাধিক বলে জানিয়েছে বিএসএফ। ধৃত তিনজনের নাম লালহুয়াপাজাউভা, ভানলালরুয়াটা ও লিয়ানসাঙ্গা। মিজোরামের ডেপুটি আইজি (হেডকোয়ার্টার) জন নেইহালাইয়া জানিয়েছেন, এই অস্ত্র পাচারকারীদের একজন বিদেশি। সে মায়ানমারের বাসিন্দা। রাজধানী শহর আইজলে ঘরভাড়া নিয়ে তারা তিনজন থাকত। ধৃতদের জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

মিজোরামের মামিট জেলায় দুর্গম জম্পুই পাহাড়ের বনাঞ্চল হয়ে এই আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালান হচ্ছিল। জম্পুই পাহাড়ের নিচে এই মিজো গ্রাম থেকে ত্রিপুরা বেশি দূরে নয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *