সন্দীপ / সমীপ, আগরতলা: দীর্ঘ ৯ মাস পর আগরতলা থেকে শিলচর ট্রেন পুনরায় চালু হয়েছে। শিলচর থেকে অবশ্য গতকাল যাত্রী ট্রেন আগরতলায় পৌঁছেছে। করোনা-প্রকোপে ওই ট্রেন পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছিল। এখন বিভিন্ন রুটে রেল পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ায় আগরতলা-শিলচর রুটেও ২ ডিসেম্বর থেকে পুনরায় ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে।
পূর্বোত্তর সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শুভানন চন্দ জানিয়েছেন, শিলচর-আগরতলা ট্রেন সকাল সাড়ে আটটায় রওয়ানা দেবে এবং বিকেল চারটায় আগরতলায় পৌঁছবে। তেমনি আগরতলা-শিলচর ট্রেন সকাল ১১টা ১০ মিনিটে রওয়ানা দেবে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে শিলচর পৌঁছবে। ওই ট্রেন কাটাখাল জংশন, বদরপুর জংশন, ভাঙ্গা, নিউ করিমগঞ্জ, করিমগঞ্জ জংশন, নিলামবাজার, বারইগ্রাম, পাথারকান্দি, কলকলিঘাট, চুড়াইবাড়ি, ধর্মনগর, পানিসাগর, পেঁচারথল, কুমারঘাট, মনু, আমবাসা, মুঙ্গিয়াকামি, তেলিয়ামুড়া, জিরানিয়া এবং যোগেন্দ্রনগর স্টেশনে দাঁড়াবে। ট্রেনে একটি তৃতীয় শ্রেণির বাতানুকূল বগি, একটি স্লিপার ক্লাস, একটি চেয়ার কার এবং ১৩টি সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণির বগি রয়েছে। এছাড়া দুইটি লাগেজ ভ্যানও রয়েছে ওই ট্রেনে।
এদিন প্রচুর যাত্রী ট্রেনে শিলচর গিয়েছেন। ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় সকলেই স্বস্তি পেয়েছেন। তবে, আসন সংরক্ষণ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ লক্ষ্য করা গিয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে টিকিট কেটে যাত্রীদের ট্রেনে উঠতে হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, স্পেশাল ট্রেনের ভাড়া অন্যান্য সাধারণ ট্রেনের তুলনায় বেশি হয়।

