আগরতলা: বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ত্রিপুরার অবদান অনস্বীকার্য। তাই করোনা-র প্রকোপে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ ত্রিপুরায় আখাউড়া সীমান্তে বিএসএফ- বিজিবি যৌথভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিটিং রিট্রিট-র আয়োজন করেছে। অবশ্য, বাংলাদেশের জন্য আজ দ্বিগুন খুশির দিন। কারণ, আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-র জন্ম শতবর্ষ উদযাপন করছে বাংলাদেশ। ফলে, ত্রিপুরা সীমান্তে বিটিং রিট্রিট উদযাপন করে বিজিবি ভীষণ খুশি।
এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে দাবি করেন বাংলাদেশ-র সরাইল-র আঞ্চলিক কমান্ডার এবিএম নৌরুজ আহসান।
আজ বি এস এফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার-র ভারপ্রাপ্ত আইজি ডিপি সিং বলেন, বাংলাদেশ-র স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে বিটিং রিট্রিট সমারোহের আয়োজন করা হয়েছে। বিজিবি-র সাথে যৌথ ভাবে ওই আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর কথায়, বাংলাদেশের খুশির মুহুর্তে ভারতও অংশীদার হউক, সেই লক্ষ্যেই ওই আয়োজন করা হয়েছে। কারণ, করোনা-র প্রকোপে সীমান্তে বিটিং রিট্রিট বন্ধ ছিল। তিনি জানান, করোনা অতিমারির কারণে এখন থেকে সপ্তাহে দুই দিন সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবি ওই অনুষ্ঠান করবে। তবে, কমান্ডার স্তরের বৈঠকে দিনক্ষণ স্থির হবে।
এদিন বাংলাদেশ-র সরাইল-র আঞ্চলিক কমান্ডার এবিএম নৌরুজ আহসান বলেন, বিএসএফ-র সাথে বরাবরই বিজিবি-র ভাল সম্পর্ক রয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে। তাঁর কথায়, আজ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত খুশির দিন।
আজকের দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। তাতে, ভারত এবং ত্রিপুরার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, আজ আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-র জন্ম শতবর্ষ পালন করছি। যা আমাদের খুশির পরিধি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, করোনা-র কারণে সীমান্তে বিটিং রিট্রিট সমারোহ বন্ধ ছিল। কিন্ত, আজ দুই দেশের মানুষের অংশগ্রহণ-এ সাফ বোঝা যাচ্ছে এই উদ্যোগ সফল হয়েছে।

