আগরতলা: সোমবার শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান, গত ৫ই মে, ২০২১ তারিখের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী যে সকল ঋণ ১ এপ্রিল, ২০২১ তারিখ থেকে আজকে পর্যন্ত অনুত্পাদক সম্পদ হিসেবে চিহ্ণিত হয়েছে সেগুলি ঋণের শর্তাবলী পুনর্বিন্যাসের আওতায় আনার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এরফলে ঋণ গ্রহীতাগণ তাদের ঋণ ফেরত কিস্তির পরিমাণ এবং সময়সীমা পরিবর্তন করতে পারবেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রায় ৭ লক্ষের উপর মানুষ উপকৃত হবেন। অনুরূপভাবে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাঙ্ক এবং সংস্থা সমূহ তাদের গ্রাহকদের ঋণগুলিও ঋণের শর্তাবলী পুনর্বিন্যাসের আওতায় নিয়ে আসতে পারে। এই সুুবিধা গ্রহণ করার জন্য ঋণ গ্রহীতাগণ আগামী ৩০ সেপ্ঢেম্বর, ২০২১ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ ব্যাঙ্ক বা ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থার শাখায় বিস্তারিত বিবরণের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
করোনা অতিমারির সময়ে রাজ্যের ঋণ গ্রহীতাদের কিস্তি প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন রাষ্টায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং মাইক্রো ফিনান্স ইনস্টিটিউশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে গত ২ জন উপমুখ্যমন্ত্রী সভাপতিত্বে এক সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০২০-২১ অর্থবর্ষে রাজ্যের ৬ লক্ষ ৯২ হাজার ৫২ জন ব্যাঙ্কগুলি থেকে বিভিন্ন প্রকল্পে ১৬,৮৮৪ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছেন। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনায় ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫০৯ জন ১,৫৮৪ কোটি ১৯ লক্ষ, প্রধানমন্ত্রী এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রকল্পে ১,০৩৬ জন ঋণ নিয়েছেন ৫১ কোটি, স্বাবলম্বন প্রকল্পে ৮০৮ জন ঋণ নিয়েছেন ২০কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য প্রকল্প মিলে মোট ৬ লক্ষ ৯২ হাজার ৫২ জন ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছেন। ফলে রাজ্যের বর্তমানে সিডি রেশিও ৫৪ শতাংশ পৌছেছে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান।

