ত্রিপুরা নিউজ ডেস্ক: সোমবার ১ অগাস্ট থেকে ত্রিপুরা রাজ্যেও শুরু হচ্ছে সচিত্র ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ করার কাজ। সারা অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস জুড়েই চলবে এই কাজ। বুথ লেভেল অফিসার তথা বিএলও’রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ ভোটেরদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন।
শনিবার আগরতলার ক্যাপিটাল কমপ্লেক্সস্থিত মহাকরণের প্রেস কনফারেন্স হলে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানান রাজ্যের মুখ্যনির্বাচন আধিকারিক কিরণ গিত্যে। সেই সঙ্গে তিনি আরো বলেন ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তি করণ নিয়ে অনেক ভোটেরদের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অনেকে মনে করছেন এর ফলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসবে। তাদের আশঙ্কার কোন কারিনা নেই, নির্বাচন কমিশন সকলের তথ্য গোপন রাখবে।
আধার সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনা হবে না। ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা আনার জন্য আধার কার্ড যুক্ত করা হচ্ছে। কারণ আধার কার্ডগুলিতে বায়োমেট্রিক তথ্য সংযুক্ত রয়েছে। ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত করা হলে ভোটার তালিকা আরো নির্ভুল হবে। যাদের নাম একাধিক জায়গাতে রয়েছে তা বের হবে এবং জাল ভোটার কার্ড চিহ্নিত করা সহজ হবে। সেই সঙ্গে কিরণ গিত্যে আরো বলেন এখন থেকে যাদের বয়স ১৭বছর পূর্ণ হয়ে গিয়েছে তারা ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন কেটে পারবেন।
বিএলও’রা তালিকায় নথি ভুক্ত করে নেবেন এবং বয়স ১৮বছর পূর্ণ হলে ভোটার কার্ড তাদের হাতে দেওয়া হবে। বর্তমানে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য কাগজ-পত্র নেওয়া হয়। এর ফলে অনেকেই ভোট দিতে দিতে প্রায় ১৯ বছর বয়সে পৌঁছে যায়। এর ফলে মাঝে এই ছয় মাস থেকে এক এক বছরের মধ্যে ভোটে নিতে পারেন না। বয়সের সমস্যার সমাধানের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি আরো জানান আগে বছরে একবার কাজ করা হতো। এখন সারা বছরে জন্য আবেদন পত্র নেওয়া হবে। বছরের শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ডিসেম্বর মাসে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগে ভোটার তালিকা আরও স্বচ্ছ এবং দ্রুত হবে। এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের পাশাপাশি অন্যান্য আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

