শিরোনাম
বুধ. জানু ১৪, ২০২৬

শ্বশুরবাড়ি যেতে বাংলাদেশে প্রবেশ, ফিরতি পথে বিএসএফ’র গুলি

ত্রিপুরা নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের এক মহিলাকে বিয়ে করেছেন রনি। শ্বশুরবাড়িতে সোমবার ছিল এক অনুষ্ঠান। সেটিতে যোগ দিতেই অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন রনি। বাংলাদেশ থেকে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে ইণ্ডিয়ার ভূখণ্ডে প্রবেশের সময়ই চলেছে গুলি। এই ঘটনা ত্রিপুরা সীমান্তের।

সেখানে আখতার জামাল রনি নামের এক ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশের সময় বিএসএফ-র গুলিতে বিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। জানা যাচ্ছে, ইণ্ডিয়ান নাগরিক রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, নথি বিহীনবাবে অবৈধ পদ্ধতিতে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রীও।

স্থানীয়দের দাবি, বাংলাদেশের এক মহিলাকে বিয়ে করেছেন রনি। শ্বশুরবাড়িতে সোমবার ছিল এক অনুষ্ঠান। সেটিতে যোগ দিতেই অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন রনি। বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার জানিয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্তের দিক থেকে ওই দুজন আসছিলেন। তারা সীমান্তের বেড়ার দিকে আসতেই বিএসএফ সতর্ক করে। বহুবার সতর্ক করার পর তারা জোর করে বেড়া পার করতে চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রনি ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। তখনই সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিএসএফর সঙ্গে তাঁদের সংঘাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেন্ট্রির ‘পাম্প অ্যাকশন গান’ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন রনি। আত্ম প্রতিরক্ষায় তখন ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিওর’ মেনে গুলি করতে বাধ্য হয় বিএসএফ। গুলি চলতেই আহত হয়ে পড়েন গুলিবিদ্ধ রনি। তখন তাঁর সঙ্গে থাকা স্ত্রী ছুটে গিয়ে স্থানীয় কোনও গ্রামে পালিয়ে যান বলে খবর। এদিকে, আহত অবস্থায় রনিকে আগরতলার জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে রনির ঘাড়ের কাছে একটি ক্ষত রয়েছে। আপাতত তিনি চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে যখন রনি স্ত্রীকে নিয়ে নিজের গ্রামে আসছিলেন তখনই এই সংঘাত হয়। প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় ইন্দো-বাংলা সীমান্ত অবৈধ পারাপারের ক্ষেত্রে বহু সময়ই শিরোনাম কেড়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জেরে এই সীমান্তে নজরদারি আরও বেড়েছে। সেই অবস্থান মাঝে রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পৌঁছন। বিএসএফ জানিয়েছে, সোমবার ২৬ জানুয়ারি, নিরাপত্তা বাহিনী ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে ইণ্ডিয়ায় প্রবেশ থেকে রোখে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *