শিরোনাম
বুধ. জানু ১৪, ২০২৬

ফুলডুঙসেই গ্রাম নিয়ে মিজোরামের সাথে আলোচনা করবে ত্রিপুরা সরকার, খতিয়ে দেখা হবে দুই রাজ্যের ভোটার তালিকা

আগরতলা: পড়শি রাজ্যে ফুলডুঙসেইর অন্তর্ভুক্তি ইস্যুতে মিজোরাম-ত্রিপুরা সীমানা নির্ধারণে রাজস্ব দফতর আসরে নেমেছে। ত্রিপুরার রাজস্ব মন্ত্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা জানিয়েছেন, মিজোরামের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ফুলডুঙসেই ত্রিপুরার অংশ। এদিকে, ১৩০ জন ত্রিপুরার নাগরিক মিজোরামেও ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করবে বলে জানা গেছে। ত্রিপুরার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক শ্রীরাম তরনিকান্তির সাফ কথা, ১ জানুয়ারী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তার আগেই সারা দেশে ইআরও নেট চালু হয়ে যাবে। তাতে, এক ব্যক্তির একাধিক স্থানে ভোটার তালিকায় নাম থাকবে না।

জম্পুই হিলস্ ব্লকের অধীন ফুলডুঙসেই গ্রাম মিজোরামের অংশ হিসেবে নথি প্রকাশিত হয়েছে। তাতে ত্রিপুরার নাগরিক ১৩০ জনকে মিজোরামের ভোটার হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তাই ত্রিপুরা ও মিজোরামের সঠিক সীমানা নির্ধারণের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছিলেন কাঞ্চনপুরের মহকুমাশাসক।

এ-বিষয়ে রাজস্ব মন্ত্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা বলেন, জম্পুই হিলস-র ফুলডুঙসেই গ্রাম ত্রিপুরার অংশ। ফলে, মিজোরামের অংশ হিসেবে কিভাবে দেখানো হচ্ছে, তা খোঁজ দিয়ে দেখবে রাজস্ব দফতর। তিনি বলেন, এ-বিষয়ে মিজোরাম সরকারের সাথে আলোচনা করার প্রক্রিয়া শুরু করবে ত্রিপুরা সরকার। শীগ্রই ওই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে, বলেন তিনি।

এদিকে, ১৩০ জন ত্রিপুরার নাগরিক-র মিজোরামেও ভোটার তালিকায় নাম থাকার বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক শ্রীরাম তরনিকান্তি বলেন, এখন একজন ব্যক্তির একাধিক স্থানে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সম্ভব নয়। অন্তত, ত্রিপুরাতে তা অসম্ভব। কারণ, ত্রিপুরায় ইআরও নেট চালু হয়ে গেছে। তাতে, এক ব্যক্তির দ্বৈত সচিত্র পরিচয় পত্র থাকলে তা সহজেই চিহ্নিত হবে। তিনি বলেন, সারা দেশেই ইআরও নেট চালু হবে। তখন, ওই সমস্যা-র স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে।

মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বলেন, আগামী ২৫ আগস্ট ত্রিপুরায় সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হবে। ওই বৈঠকে খসড়া ভোটার তালিকা আলোচনা করা হবে। আগামী ১ জানুয়ারী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার আগেই ওই ১৩০ ত্রিপুরার নাগরিকের দুই রাজ্যে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তিনি বলেন, এ-বিষয়ে নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করবে। হিন্দুস্থান সমাচার/সন্দীপ / কাকলি

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *